Monthly Archives: January 2012

Stop SOPA Ribon system plugin for joomla

Actually title says all.

Download

  Stop Sopa Ribon plugin for Joomla1.5 (10.4 KiB, 164 hits)

  Stop Sopa Ribon plugin for Joomla1.6 & 1.7 (10.7 KiB, 141 hits)

BTW, don’t forget to hit the share buttons.

Continue reading

Posted in Joomla, Joomla Extention | Tagged , , , | Leave a comment

সোস্যাল মিডিয়া ডিজাইন বা সোস্যাল ব্রান্ডিং – ক্রিয়েটিভ ডিজাইন

যারা টুকটাক গ্রাফিক্সের কাজ জানেন তাদের জন্য সোস্যাল মিডিয়া ডিজাইন বা সোস্যাল ব্রান্ডিং এর কাজের কিছু সুযোগ আছে বা কেউ চাইলে চেস্টা করতে পারেন।
যেমনঃ
একঃ কোন কম্পানী বা ব্রান্ডের এর লোগ এর সাথে ম্যাচ করে টুইটার এর জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজাইন, টুইটার এর অন্যান্য কালার কম্বিনেশন সেট করে দেওয়া।

দুইঃ এখন অনেকেই ফেসবুকের টাইমলাইনের উপরে বড় ছবি আলাদা করে ব্রান্ডিং করার জন্য বানায়।

তিনঃ ফেসবুক ফ্যান পেজের জন্য ব্রান্ড অনুসারে বাম পাশের প্রোফাইল পিকচার তৈরি করে দেওয়া।

চারঃ ইউটিউব এর চ্যানেল ডিজাইন বা ব্রান্ডিং করে দেওয়া।
Continue reading

Posted in Bangla Blogs | Tagged , , , | Leave a comment

কৃষক যেভাবে তার ধানের দাম পেতে পারেঃ ভবিষ্যতে কৃষিকাজ করার ইচ্ছা আছে

আমাদের দেশে এখন প্রায় প্রতি বছর (বন্যা না হলে) ধান, পাট ইত্যাদি ফসলে বাম্পার(যদিও এইটা রাজনৈতিক শব্দ, তবে ফলন যে খুব ভালো হচ্ছে তা নিয়ে সন্দেহ নাই) ফলন হচ্ছে কিন্তু কৃষক তার উৎপাদিত ফসলের দাম পাচ্ছে না। স্বভাবত আগের থেকে উৎপাদন মূল্য অনেকে বেড়েছে যেমন সার, বীজ, জন(শ্রমিক, প্রান্তিক কৃষক নিজেও জমিতে কাজ করে আর সেই সাথে অন্যদের দিয়েও কাজ করায়) ইত্যাদির দাম/মূল্য অনেক বেড়ে গেছে। বাই দ্য ওয়ে, এখানে আমি শুধু ধান চাষের বিষয় নিয়ে লিখছি। আর এই লেখার আইডিয়া মূলত আমার বাড়ি আসার পর থেকেই মাথায় ঘুরছে। তো আবার ফিরে আসি আগের টপিকে। সব কিছু দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষকের উৎপাদন মূল্য অনেক বেড়ে গেছে আর শেষের দিকে ধানের দাম আশানুরূপ থাকে না যা তাদের উৎপাদন মূল্যের অনেক নীচে থাকে বেশির ভাগ সময়। আমার প্রশ্ন হচ্ছে কেন কৃষক ধানের দাম পাচ্ছে না ? আবার যদি চিন্তা করেন এদেশে চালের দাম দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে, চালের দাম কমে খুব কম আর সেই তুলনায় প্রতিবছর বেড়ে যাওয়ার রেট অনেক বেশি। যদিও এই প্রভাবটা পড়ছে ধান উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়াতে। হয়তো এই কারণেই অনেকেই এখন বাদ দাদার পেশা বাদ দিয়ে শহরে গিয়ে রিক্সা চালাচ্ছে। কারণ উপায় নাই।

এখন আমার চিন্তাটা বা আইডিয়া হচ্ছে কিভাবে কিভাবে কৃষক ধানের দাম চালের মতই বেশি পেতে পারে। তার আগে একটু অন্য ভাবে। আমি নড়াইল আসার পর থেকে আমার বাবা আমাকে কয়েকবার বলেছে একটা জমির সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে কৃষককে ‘x’ পরিমান টাকা দিলে জমিটা সে আমাদের কাছে বন্ধক রাখবে আর আমরা ফসলে Y% ভাগ পাব। যদিও আমি রাজি হইনি কিন্তু কেন কৃষকের জমি বন্ধক রেখে টাকা নিতে হবে আর চাষ করার পর সে কেন জমির জামিনদারকে নিজের কষ্টে উৎপাদিত ফসলের ভাগ দিবে যেখানে সে নিজেই তার ফসলের সঠিক উৎপাদিত মূল্য পাচ্ছে না। সব কিছুর সাথে জড়িত অর্থ বা টাকা। এদেশের বেশির ভাগ কৃষকের হয় অনেক জমি আছে না হয় সামান্য কিংবা অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষ করে। যাদের অনেক জমি আছে তাদের হাত প্রয়োজনীয় অর্থ নাই যা দিয়ে তারা চাষ করবে। আবার চাষ করার পরই চিন্তা আসে কিভাবে ধান বিক্রি করে দ্রুত খরচের টাকা তুলে আনা যায়। ব্যাপারটা কিন্তু সেই স্বল্প পূঁজির শেয়ার বাজারের ব্যবসায়ীদের জন্যও প্রযোজ্য। যদি শেয়ার এর দাম কমার পরও তারা ছয় মাস থেকে এক বছর অপেক্ষা করতে পারে তাহলে হয় ক্ষতি কমে যাবে কারণ দাম আবার বাড়বে এটা আশা করায় যাই। তবে এই অপেক্ষা করার জন্য দরকার প্রয়োজন খরচের টাকা হাতে থাকা যা স্বল্প পূঁজির একজন শেয়ার ব্যবসাযীর কাছে থাকে না তেমন থাকে গ্রামের প্রান্তিক কৃষকের কাছে। বরং প্রতিবছর ফসলের দাম কম পেতে পেতে তার মূলধন কমতে থাকে আবার নিজের পরিবারের খরচ কিন্তু দিনকে দিন বাড়তেই থাকে। যদি কৃষকের হাত টাকা থাকে তাহলে কিন্তু সে সাথে সাথে ধান বিক্রি করবে না। তাহলে ? …

তাহলে যা করা যেতে পারে তা হল কৃষক নিজেই ধান সিদ্ধ করে চাল বানাবে, নিজের মিলেই ধান থেকে চাল তৈরি করবে। এরজন্য দরকার চাতাল (যেখানে ধান শুকানো এবং সিদ্ধ করা হয়) আর ধান ভাঙানো মিল (চালের কল)। তাহলে ধান থেকে চাল তৈরি করে নিজেই গুদামজাত করে আস্তে আস্তে চাল হিসাবে বিক্রি করতে পারবে। আর সেক্ষেত্রে উৎপাদিত ফসলের দাম অনেক পাবে। এটা হচ্ছে একজন কৃষক কিভাবে তার উৎপাদিত ধানের দাম চাল হিসাবে বিক্রি করে বেশি পেতে পারে। কিন্তু মূল সমস্যা কৃষকের হাতে সেই পরিমান টাকা নাই। একা একা সব কিছু করা সম্ভব নয়, মানে ধান মাড়ানো বা কলে ধান থেকে চাল বানাতে অনেক খরচ।
Continue reading

Posted in Bangla Blogs | 1 Comment