হালুম এবং মালুম

স্বপ্নে দেখলাম একটা বাঘের খাঁচায় জোড় পূর্বক আমাকে ফেলে দেওয়া হল।
বাঘটি আমাকে দেখে কিঞ্চিৎ বিরক্ত হল এবং কোন প্রকার হালুম মালুম করল না ! বাঘটি নিরামিষভোজি ছিল।
আমি অপমানিত বোধ করলাম এবং রেগে ক্ষেপে বাঘের ঘাড়ে কামড় দিয়ে হালুম এবং মালুম অনুভব করলাম।
দেখি ঘুম ভেঙে গেছে, জানালা দিয়ে ভোরের সাদা আলো আভা ঢুকছে রুমে।

অভিশাপ

//অভিশাপ

তুমি অভিশাপ দিলে, আমার ঘর পুড়ে যাক।

আমি ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখলাম, আমার ঘর পুড়ে যাচ্ছে, এরপর আমি ঘরপোড়া ছাই দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলাম।

ঘুম থেকে উঠে দেখলাম আমার ঘর পুড়ে নাই, কারণ কোন দিন আমার কোন ঘরই ছিল না।

আমি পরের দিন তোমার অভিশাপের অপেক্ষায় আবার ঘুমিয়ে পড়লাম, স্বপ্নে দেখলাম, তুমি আমার ঘর পোড়া আগুনের তাপে আঁচে অন্তত গতকালের শীতের রাত্রি ভালো কাটয়েছিলে। আগুনে আঁচ নেওয়ার জন্য পোড়ার মত আমার ঘর নাই কেন এটা ভেবে তুমি আমাকে আবার অভিশাপ দিলে। কি অভিশাপ দিলে আমি মনে করতে পারছি না, কারণ তার আগেই আমার ঘুম ভেঙে গেল।

কোন এক সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলাম, তুমি শীতে প্রচন্ড কাঁপছ। আমি তোমার দিকে অসহায়ের মত তাকিয়ে আছি, তোমাকে সামান্য গরমের আঁচ দেওয়ার জন্য পোড়ানোর মত আমার কোন ঘর নাই কারণ কোন দিন আমার কোন ঘরই ছিল না।

পরের দিন স্বপ্নে দেখলাম, তোমাকে শীত থেকে বাঁচাতে তোমাকে আমার বুকে জড়িয়ে রেখেছি।

//১৯.১২.২০১৬

RIP আলমগীর ভাই

অনন্ত যাত্রার যাত্রী আমরা সকলেই
কেউ কেউ বলে, যাত্রীকে ভিন্ন ভিন্ন সময় ভিন্ন ট্রেনে পুনরায় নতুন পরিচয়ে ফিরতে হয়
কেউ কেউ বলে ফিরতে হয় না
রহস্যটা যাত্রা এবং যাত্রীর ভেতরই থাক।

আমরা সহযাত্রির সাথে কাছাকাছি, পাশাপাশি কিংবা সাংঘর্ষিক অবস্থানে থেকে যাত্রা পথের যহযাত্রী হই,
কেউ কেউ আগে আর কেউ পরে
শেষমেশ সেই অনন্ত যাত্রা।
হে অনন্ত পথের যাত্রি যেভাবে থাক ভালো থেক।

#RIP আলমগীর ভাই

দৌড়

//দৌড়
তোর সাথে দৌড়াবো ভরপুর
তোর সাথে খুব দৌড়াবো
তোর সাথে ম্যারাথন দৌড়াবো
তুই সাথে থাকলে থামবো না, খুব দৌড়াবো।

তোর সাথে দৌড়াব গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে
তোর সাথে দৌড়াব শীতের কনে কনে সকালে
তোর সাথে জাপ্টাজাপ্টি হয়ে দৌড়াবো,
তোর সাথে মাখামাখি দৌড়াবো।

তোর সাথে তোর সাথে তোর সাথে
দৌড় দৌড় দৌড়, দৌড়াবো।।

//০৮/০৮/২০১৬ (অফিসে কাজের ফাঁকে)

একটা কিছুর জন্য

একটা কিছু না পাওয়ার জন্য বুকের ভেতর চিন চিনে ব্যাথা ছিল অনেক দিন
একটা কিছু পাওয়ার কথা ছিল বড্ড, পাওয়া হয়নি।
একটা কিছু পাওয়ার জন্য হাহাকার অপেক্ষা করতে করতে শেষ হয়ে গেছে
একটা কিছু সেটা বোকামি হোক কিন্তু পাওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল
একটা কিছু খুব বেশি ছেলেমি হোক কিন্তু চাওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল।

একটা কিছু চাওয়াপাওয়া নিয়ে একটা কবিতা লেখার কথা ছিল, হয়নি
একটা কিছুর হিসাব মেলেনি, কি মেলেনি, কেন মেলেনি সেই হিসাবও মেলেনি।

একটা কিছু পাগলামি বাকির খাতায় চলে গেল
একটা কিছু গল্প অনেক যত্নে আস্ত এক হাজার টাকার নোট হিসাবে থেকে গেল, খুচরা হল না।

একটা কিছু খুব জানা খুব চেনা কিন্তু অধরা
একটা কিছু একদম অজানা অচেনা কিংবা খুব চাওয়ার

সেই একটা কিছুর জন্য আজন্ম হাহাকার !

CBX Save and Visit – Free WordPress Plugin

Just created a simple #wordpress plugin for ‘Save & Visit’ or ‘Publish & Visit’ based on another plugin ‘save and close’ . I think this plugin will be handy for some users.

=== CBX Save and Visit ===
Contributors: manchumahara,codeboxr,wpboxr
Donate link: https://www.paypal.com/cgi-bin/webscr?cmd=_s-xclick&hosted_button_id=NWVPKSXP6TCDS
Tags: edit, editing, save, visit, publish
Requires at least: 3.3
Tested up to: 4.2.2
Stable tag: 1.0.0
License: GPLv2 or later
License URI: http://www.gnu.org/licenses/gpl-2.0.html

Adds a Save and Visit button to the admin post edit screen which allows you to return to the post listing page after editing. This plugin is based on another plugin ‘Save and Close’.

== Description ==

Does what it says on the tin!

So what is the plugin? The name says it all really, this just adds a Save and Visit button to all pages, posts and custom post types. We’ve done away with the click so no longer do you need to hit “Update” or “Publish” then click back your post/page on frontend. Save and Visit will just take you right back to your post details! Simples!

This plugin is based on this plugin https://wordpress.org/plugins/lightbulb-save-and-close/

== Installation ==

1. Upload `cbxsaveandvisit` to the `/wp-content/plugins/` directory
2. Activate the plugin through the ‘Plugins’ menu in WordPress
3. You’ll now see an “Update and Visit” button when editing a post, or a “Publish and Visit” button when creating a post!

== Changelog ==

= 1.0.0 =
* Initial public release

Download the plugin from here

চলাচল

//চলাচল

সকাল সন্ধ্যা পথিকের চলাচল
মাঝে মাঝে পথিক ক্ষনিকের জন্য দাঁড়িয়ে যায়,
ডানে তাকায়, বামে তাকায় আবার ডানে তাকায়,
পথিক রাস্তা পার হয়।
পার হয়ে আসা রাস্তার ওপাশ তাকিয়ে পথিক মৃদু হাসে,
পথিকের চলাচল আবার শুরু হয়।

পথিকের চলাচলের সামনে আর পেছন নাই,
পৃথিবী যেহেতু গোল তাই পথিক যে দিক দিয়ে হেঁটে যাবে সেটাই সামনের পথ,
পথ এবং পথিকের পেছনের স্মৃতি বা ভবিষ্যই বলে কিছু নাই !
পথ এবং পথিক উভয়ের জায়গা নতুন পথ কিংবা নতুন পথিক ঠিকই জায়গা করে নেয়।

পথ একা না পথিক একা আমি জানি না, তবে উভয়ের ভেতর চলাচলের সম্পর্কটাই অকৃত্রিম !

~~ 10/04/2015, বক্সিবাজার, ঢাকা ~~

মানচুলোচনা-1

//মানচুলোচনা
//তারিখঃ ০৯/০৪/২০১৫

একঃ কোন মানুষকে জাজ করার জন্য আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। সেই সময় এর জন্য আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে যে সময় স্বার্থের দ্বন্দ্ব হবে তার আগে পর্যন্ত সব কিছু ঠিকঠাক থাকে। আমি আমার কাছের মানুষগুলোর অন্ধকার দিক দেখার জন্য অপেক্ষা করতে থাকি।

দুইঃ কারো সাথে কুট কৌশল বা চালাকি মার্কা কথা বলার আগে ভালো করে ভেবে নিন যার সাথে বলছেন তার বুদ্ধিমত্তা কেমন না হলের অপরজন আপনাকে বোকা ই মনে করবে। কেউ আমার সাথে খুব চালাকি করে কথা বলার চেস্টা করলে আমার বিরক্ত লাগে, প্রচন্ড বিরক্ত লাগে।

তিনঃ মানুষ গরু না কিন্তু গরুর সাথে মানুষের একটা নিখাঁদ মিল আছে আর তা হচ্ছে মানুষের চিন্তা করার শক্তি আর গরুর ঘাস খাবার গন্ডি। গরু মাঠে যে দড়িতে বাঁধা থাকে তার যে দৈর্ঘ্য গরু সেই ব্যাসার্ধের গোল জায়গায় ঘাস খায়। মানুষের চিন্তা শক্তি বা বুদ্ধিমত্তা এই রকম নির্দিষ্ট ব্যাসার্ধের ভেতর আবদ্ধ। অতি অবশ্যই সত্যি যে আমি নিজেও এর কোন না কোন ব্যাসার্ধের গোলকে অবস্থান করি।

চারঃ কোন কিছু সম্পর্কে ভালো করে বুঝার জন্য অনেক সময় তার ভেতর থেকে নিজেকে বের করে আনতে হয়, না হলে আপনি অন্ধ ভাবে বিবেচনা করবেন। মানে খেলার মাঠ থেকে নিজেকে থার্ড আম্পায়্যার এর অবস্থানে না নিলে আপনি নিজেও যে খেলার মাঠে আছেন তা নিয়ে কোন ঝামেলাকে আপনি সঠিক ভাবে মূল্যায়ন করতে পারবেন না। কোন কিছু নিয়ে বিচার করার আগে আমি নিজেকে কাঠ গড়ায় দাড় করানোর চেস্টা করি।

পাঁচঃ রাগের মাথায় কারো সাথে তর্ক করবেন না, তাতে আপনার ভেতর খারাপ দিক গুলো দ্রুত বের হয়ে যাবে। পোশাক খুলে ফেললে আমরা সবাই ই নাঙ্গা হয়ে যায় কিন্তু আমরা খুলি না, কারণ আমাদের কিছু সামাজিক এবং পারিবারিক দ্বায়বদ্ধতা থাকে। আমাদের উচিৎ না হুট হাট করে নাঙ্গা হয়ে যাওয়া তাতে সামাজিক এবং পারিবারিক সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট হয়।

ছয়ঃ আমাদের চাওয়া গুলো অনেকটা আমাদের নিজের চিন্তা ফসল। আপনি কি চাইছেন সেটা আপনার নিজের ব্যাসার্ধের সাথে সম্পর্কিত। যদি অন্যের চাওয়ার সাথে নিচের চাওয়ার হিসাব মেলাতে থাকেন তাহলে নিশ্চিৎ ভাবে আপনার এবং অন্যের ব্যাসার্ধের সাথে তুলনা করতে শিখবেন। অনর্থক চাওয়া আপনার মানসিক পীড়ার কারণ হতে পারে। আপনি ভুল তুলনার করতে পারেন কিংবা আপনি কেজি আর লিটার কেন এক পরিমান নয় সেটা বুঝতে না পেরে অযথা অস্থির হতে পারেন।

সাতঃ আপনি অনেক ব্যস্ত তাই সামাজিক সম্পর্ক রাখতে পারেন না এটা বলে নিজেকে অনেক ভারী এবং দামী করার চেস্টা করা বোকামী কারণ আপনার মত আরো অনেকেই ব্যস্ত। যদি নিজের ব্যস্ততাকে সম্মান দিতে চান তাহলে অন্যেরটাও দিন। আর আপনি যদি আপনার স্বাভাবিক ক্ষমতার চেয়ে বেশি কাজ করে বেশি ব্যস্ত থাকেন তাহলে সেটা আপনার সমস্যা, এটা অন্যের সাথে কমপেয়ার করতে যাওয়া উচিৎ না। এতে ভারসাম্য নষ্ট হয়। আপনার চাওয়া পাওয়াটা ভুল সমীকরনে চলে যাবে। আপনি চাইবেন একটা আপনার আশেপাশের মানুষরা সেটালে গুরুত্ব দিবে না কারণ আমি আগে উল্লেখ করেছি আপনি আপনার ক্ষমতার থেকে বেশি পরিশ্রম করতে গিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকছেন যা আপনার সমস্যা অন্যের নয়। তাই এটা নিয়ে অন্যের কাছে নিজেকে ভারী করে তোলার কিছু নাই।