<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?> <rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/" xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/" ><channel><title>Let&#039;s start again... &#187; Bangla Blogs</title> <atom:link href="http://manchumahara.com/bangla-blogs/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" /><link>http://manchumahara.com</link> <description>&#34;Manchumahara&#34; ...... The virtual, crazy, vagabond and  an emotional stupid!</description> <lastBuildDate>Thu, 02 Feb 2012 13:47:24 +0000</lastBuildDate> <language>en</language> <sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod> <sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency> <generator>http://wordpress.org/?v=3.3.1</generator> <item><title>সোস্যাল মিডিয়া ডিজাইন বা সোস্যাল ব্রান্ডিং &#8211; ক্রিয়েটিভ ডিজাইন</title><link>http://manchumahara.com/2012/01/12/social-media-design-or-social-branding-works/</link> <comments>http://manchumahara.com/2012/01/12/social-media-design-or-social-branding-works/#comments</comments> <pubDate>Thu, 12 Jan 2012 08:08:15 +0000</pubDate> <dc:creator>Manchumahara(Sabuj Kundu)</dc:creator> <category><![CDATA[Bangla Blogs]]></category> <category><![CDATA[creative design]]></category> <category><![CDATA[design]]></category> <category><![CDATA[social media branding]]></category> <category><![CDATA[social media design]]></category><guid isPermaLink="false">http://manchumahara.com/?p=707</guid> <description><![CDATA[যারা টুকটাক গ্রাফিক্সের কাজ জানেন তাদের জন্য সোস্যাল মিডিয়া ডিজাইন বা সোস্যাল ব্রান্ডিং এর কাজের কিছু সুযোগ আছে বা কেউ চাইলে চেস্টা করতে পারেন। যেমনঃ একঃ কোন কম্পানী বা ব্রান্ডের এর লোগ এর সাথে ম্যাচ করে টুইটার এর জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড &#8230; <a href="http://manchumahara.com/2012/01/12/social-media-design-or-social-branding-works/">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://manchumahara.com/wp-content/uploads/2012/01/social-media-clock-design.jpg"><img src="http://manchumahara.com/wp-content/uploads/2012/01/social-media-clock-design-150x150.jpg" alt="" title="social-media-clock-design" width="150" height="150" class="alignleft size-thumbnail wp-image-708" /></a>যারা টুকটাক গ্রাফিক্সের কাজ জানেন তাদের জন্য সোস্যাল মিডিয়া ডিজাইন বা সোস্যাল ব্রান্ডিং এর কাজের কিছু সুযোগ আছে বা কেউ চাইলে চেস্টা করতে পারেন।<br /> যেমনঃ<br /> একঃ কোন কম্পানী বা ব্রান্ডের এর লোগ এর সাথে ম্যাচ করে টুইটার এর জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজাইন, টুইটার এর অন্যান্য কালার কম্বিনেশন সেট করে দেওয়া।</p><p>দুইঃ এখন অনেকেই ফেসবুকের টাইমলাইনের উপরে বড় ছবি আলাদা করে ব্রান্ডিং করার জন্য বানায়।</p><p>তিনঃ ফেসবুক ফ্যান পেজের জন্য ব্রান্ড অনুসারে বাম পাশের প্রোফাইল পিকচার তৈরি করে দেওয়া।</p><p>চারঃ ইউটিউব এর চ্যানেল ডিজাইন বা ব্রান্ডিং করে দেওয়া।<br /> <span id="more-707"></span><br /> এই রকম আরো অনেক কাজ পাওয়া যেতে পারে। আপনি স্যাম্পল হিসাবে আপনার নিজের জন্য এই ধরনের কিছু কাজ করে আপনার সাইটে সেই কাজের নমুনা দিয়ে রাখতে পারেন। আমার মনে হয় গ্রামের হাটে আপনি একা টাই স্যুট পড়ে ডেস্টিনির প্রচার না করে নিজের ক্ষুদ্র জ্ঞান বা অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েও &#8220;সোস্যাল মিডিয়া ডিজাইন বা সোস্যাল ব্রান্ডিং&#8221; বা এই ধরনের ছোট ছোট  কিন্ত ইনোভেটিভ কাজ করেও ঘরে বসে &#8216;পরিশ্রম করে&#8217; সহজে আয় করতে পারেন।</p><p>আইডিয়াটা হয়তো কমন কিন্তু মাথায় আসলো তাই সবার সাথে শেয়ার করলাম। আর যারা শুধু ওয়েব সাইট ডিজাইন(ফটোশপ)  করেন তারা চাইলে আস্তে আস্তে ক্রিয়েটিভ ডিজাইন লাইনে আসতে পারেন যার প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে সোস্যাল মিডিয়া ব্রান্ডিং, এরপর লোড ডিজাইন, ব্রোশিয়ার ডিজাইন ইত্যাদি। আর কিছুদিন পর টুইটার ব্রান্ড পেজ অপশন সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেবে তখন আরো এই ধরনের টুইটার ব্রান্ডিং এর সুযোগ আসবে, একই ভাবে নিশ্চয় গুগল প্লাস তাদের ব্রান্ড পেজে আরো অপশন যুক্ত করবে যা দিয়ে যে কেউ তার ব্রান্ড পেজ এর চেহারা পরিবর্তন করতে পারবে আর এই কাজে ক্রিয়েটিভ ডিজাইনদের ডাক আগে পড়বে।</p><p>ধন্যবাদ</p>Comment is open. You can participate in the discussion by visiting <a href='http://manchumahara.com/2012/01/12/social-media-design-or-social-branding-works/'>here</a> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://manchumahara.com/2012/01/12/social-media-design-or-social-branding-works/feed/</wfw:commentRss> <slash:comments>0</slash:comments> </item> <item><title>কৃষক যেভাবে তার ধানের দাম পেতে পারেঃ ভবিষ্যতে কৃষিকাজ করার ইচ্ছা আছে</title><link>http://manchumahara.com/2012/01/04/how-farmers-can-make-money/</link> <comments>http://manchumahara.com/2012/01/04/how-farmers-can-make-money/#comments</comments> <pubDate>Wed, 04 Jan 2012 05:15:49 +0000</pubDate> <dc:creator>Manchumahara(Sabuj Kundu)</dc:creator> <category><![CDATA[Bangla Blogs]]></category><guid isPermaLink="false">http://manchumahara.com/?p=705</guid> <description><![CDATA[আমাদের দেশে এখন প্রায় প্রতি বছর (বন্যা না হলে) ধান, পাট ইত্যাদি ফসলে বাম্পার(যদিও এইটা রাজনৈতিক শব্দ, তবে ফলন যে খুব ভালো হচ্ছে তা নিয়ে সন্দেহ নাই) ফলন হচ্ছে কিন্তু কৃষক তার উৎপাদিত ফসলের দাম পাচ্ছে না। স্বভাবত আগের থেকে &#8230; <a href="http://manchumahara.com/2012/01/04/how-farmers-can-make-money/">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>আমাদের দেশে এখন প্রায় প্রতি বছর (বন্যা না হলে) ধান, পাট ইত্যাদি ফসলে বাম্পার(যদিও এইটা রাজনৈতিক শব্দ, তবে ফলন যে খুব ভালো হচ্ছে তা নিয়ে সন্দেহ নাই) ফলন হচ্ছে কিন্তু কৃষক তার উৎপাদিত ফসলের দাম পাচ্ছে না। স্বভাবত আগের থেকে উৎপাদন মূল্য অনেকে বেড়েছে যেমন সার, বীজ, জন(শ্রমিক, প্রান্তিক কৃষক নিজেও জমিতে কাজ করে আর সেই সাথে অন্যদের দিয়েও কাজ করায়) ইত্যাদির দাম/মূল্য অনেক বেড়ে গেছে। বাই দ্য ওয়ে, এখানে আমি শুধু ধান চাষের বিষয় নিয়ে লিখছি।  আর এই লেখার আইডিয়া মূলত আমার বাড়ি আসার পর থেকেই মাথায় ঘুরছে। তো আবার ফিরে আসি আগের টপিকে। সব কিছু দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষকের উৎপাদন মূল্য অনেক বেড়ে গেছে আর শেষের দিকে ধানের দাম আশানুরূপ থাকে না যা তাদের উৎপাদন মূল্যের  অনেক নীচে থাকে বেশির ভাগ সময়। আমার প্রশ্ন হচ্ছে কেন কৃষক ধানের দাম পাচ্ছে না ? আবার যদি চিন্তা করেন এদেশে চালের দাম দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে, চালের দাম কমে খুব কম আর সেই তুলনায় প্রতিবছর বেড়ে যাওয়ার রেট অনেক বেশি। যদিও এই প্রভাবটা পড়ছে ধান উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়াতে। হয়তো এই কারণেই অনেকেই এখন বাদ দাদার পেশা বাদ দিয়ে শহরে গিয়ে রিক্সা চালাচ্ছে। কারণ উপায় নাই।</p><p>এখন আমার চিন্তাটা বা আইডিয়া হচ্ছে কিভাবে কিভাবে কৃষক ধানের দাম চালের মতই বেশি পেতে পারে। তার আগে একটু অন্য ভাবে। আমি নড়াইল আসার পর থেকে আমার বাবা আমাকে কয়েকবার বলেছে একটা জমির সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে কৃষককে &#8216;x&#8217; পরিমান টাকা দিলে জমিটা সে আমাদের কাছে বন্ধক রাখবে আর আমরা ফসলে Y% ভাগ পাব। যদিও আমি রাজি হইনি কিন্তু কেন কৃষকের জমি বন্ধক রেখে টাকা নিতে হবে আর চাষ করার পর সে কেন জমির জামিনদারকে নিজের কষ্টে উৎপাদিত ফসলের ভাগ দিবে যেখানে সে নিজেই তার ফসলের সঠিক উৎপাদিত মূল্য পাচ্ছে না। সব কিছুর সাথে জড়িত অর্থ বা টাকা। এদেশের বেশির ভাগ কৃষকের হয় অনেক জমি আছে না হয় সামান্য কিংবা অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষ করে। যাদের অনেক জমি আছে তাদের হাত প্রয়োজনীয় অর্থ নাই যা দিয়ে তারা চাষ করবে। আবার চাষ করার পরই চিন্তা আসে কিভাবে ধান বিক্রি করে দ্রুত খরচের টাকা তুলে আনা যায়। ব্যাপারটা কিন্তু সেই স্বল্প পূঁজির শেয়ার বাজারের ব্যবসায়ীদের জন্যও প্রযোজ্য। যদি  শেয়ার এর দাম কমার পরও তারা ছয় মাস থেকে এক বছর অপেক্ষা করতে পারে তাহলে হয় ক্ষতি কমে যাবে কারণ দাম আবার বাড়বে এটা আশা করায় যাই। তবে এই অপেক্ষা করার জন্য দরকার প্রয়োজন খরচের টাকা হাতে থাকা যা স্বল্প পূঁজির একজন শেয়ার ব্যবসাযীর কাছে থাকে না তেমন থাকে গ্রামের প্রান্তিক কৃষকের কাছে। বরং প্রতিবছর ফসলের দাম কম পেতে পেতে তার মূলধন কমতে থাকে আবার নিজের পরিবারের খরচ কিন্তু দিনকে দিন বাড়তেই থাকে। <strong>যদি</strong> কৃষকের হাত টাকা থাকে তাহলে কিন্তু সে সাথে সাথে ধান বিক্রি করবে না। তাহলে ?  &#8230;</p><p> তাহলে যা করা যেতে পারে তা হল কৃষক নিজেই ধান সিদ্ধ করে চাল বানাবে, নিজের মিলেই ধান থেকে চাল তৈরি করবে। এরজন্য দরকার চাতাল (যেখানে ধান শুকানো এবং সিদ্ধ করা হয়) আর ধান ভাঙানো মিল (চালের কল)। তাহলে ধান থেকে চাল তৈরি করে নিজেই গুদামজাত করে আস্তে আস্তে চাল হিসাবে বিক্রি করতে পারবে। আর সেক্ষেত্রে উৎপাদিত ফসলের দাম অনেক পাবে। এটা হচ্ছে একজন কৃষক কিভাবে তার উৎপাদিত ধানের দাম চাল হিসাবে বিক্রি করে বেশি পেতে পারে। কিন্তু মূল সমস্যা  কৃষকের হাতে সেই পরিমান টাকা নাই। একা একা সব কিছু করা সম্ভব নয়, মানে ধান মাড়ানো বা কলে ধান থেকে চাল বানাতে অনেক খরচ।<br /> <span id="more-705"></span><br /> এক্ষেত্রে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে তার কিছু হতে পারে সরকারী এবং কিছু বেসরকারী। উল্লেখ্য যে বেসরকারী উদ্যোগের পেছনে আবার লাভ করার প্রবনতা বেশি থাকে আর সরকারী উদ্যোগ বাস্তবায়ন এবং দূর্নীতির সম্ভবনা বেশি।</p><p>সরকারী উদ্যোগঃ সরকারী ভাবে এলাকা ভিত্তিক সিজনাল চাতাল এবং ধান মাড়াই কল থাকতে পারে। এক্ষেত্রে চল এবং চাতালের খরচ সরকার বহন করবে বা সামান্য কিছু ফি প্রতিমন ধান প্রতি কৃষকের কাজ থেকে সরকার পেতে পারে। আবার কৃষক এই সময়ে চাইলে নিজেই ঐ চাতালে কাজ করতে পারেন। হতে পারে কৃষক নিজেই কাজ করলে তার ধান মাড়াই এর জন্য কোন টাকা নেওয়া হবে না। বা এমন হতে কারীগরী সহায়তা দেবে সরকার আর শ্রম দেবে কৃষক।</p><p>বেসরকারী উদ্যোগঃ  এমন হতে পারে যে পাঁচ গ্রামের কৃষক নিজেরা সমবায় সমিতি করে নিজেরা একটা চাতাল এবং চালের কল দিল এবং নিজেরা সবাই মিলে খরচ দিয়ে উৎপাদিত ধানের রেশিও অনুসারে মোটামুটি ব্যয় বহন করলো। এক্ষেত্রে এই সব চাতালা এবং চালের কলে কৃষক এর পরিবারের সবাই এক সাথে কাজ করতে পারবে। মানে সবাই মিলে গায়ে শ্রম দিলে খরচ কমে যাবে আর এক বার একটা চালের কল কিনলে সেইটা অনেক বছর চালানো যাবে। তবে এই ধরনের উদ্যোগের জন্য সরকারী সাহায্যো প্রয়োজন। গ্রামের মাতব্বর, চেয়ারম্যান এরা চাইলে এই ধরনের উদ্যোগ নিতেই পারে।</p><p>আপনার টাকা আছে আপনি চাইলেও এভাবে ধান চাষ করে সেইটা শেষ মেষ চাল হিসাবে বিক্রি করে লাভ করতে পারে। কারণ চালের দাম কখনই কমে না বা মোটামুটি কৃষকের অনুকূলে থাকবে। আমার ইচ্ছা আছে এই ভাবে কিছু একটা করা আগামীতে আর যদি করতে পারি তাহলে আমার বানানো চাতাল এবং চালের কলে নাম মাত্র মূল্যে আমি প্রান্তিক কৃষকদের ধান থেকে চাল বানানোর সুযোগ দেব। হয়তো আরো অনেকে মিলে চিন্তা করলে এই ধরনের সমস্যার আরো ভালো সমাধান পাওয়া সম্ভব।</p><p>ধন্যবাদ</p>Comment is open. You can participate in the discussion by visiting <a href='http://manchumahara.com/2012/01/04/how-farmers-can-make-money/'>here</a> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://manchumahara.com/2012/01/04/how-farmers-can-make-money/feed/</wfw:commentRss> <slash:comments>1</slash:comments> </item> <item><title>পথ চলার গল্প (পুরাতন লেখার সংগ্রহ)</title><link>http://manchumahara.com/2011/12/30/%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link> <comments>http://manchumahara.com/2011/12/30/%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b0/#comments</comments> <pubDate>Fri, 30 Dec 2011 17:16:25 +0000</pubDate> <dc:creator>Manchumahara(Sabuj Kundu)</dc:creator> <category><![CDATA[Bangla Blogs]]></category> <category><![CDATA[Personal]]></category><guid isPermaLink="false">http://manchumahara.com/?p=702</guid> <description><![CDATA[ইন্টারনেটে বাংলা লেখার শুরুর দিকে ইয়াহুর ব্লগ সার্ভিস ইয়াহু৩৬০ তে লিখতাম । সেইদিনগুলোতে পথচলার গল্প নিয়ে লিখতাম যা পরে প্রজন্ম ফোরাম এবং সামহোয়ার ব্লগে লিখেছিলাম। আজকে হঠাৎ মনে পড়ে গেল। আর লেখাগুলো যাতে হারিয়ে না যায় কোন ভাবে তাই এখন &#8230; <a href="http://manchumahara.com/2011/12/30/%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b0/">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>ইন্টারনেটে বাংলা লেখার শুরুর দিকে ইয়াহুর ব্লগ সার্ভিস ইয়াহু৩৬০ তে লিখতাম । সেইদিনগুলোতে পথচলার গল্প নিয়ে লিখতাম যা পরে প্রজন্ম ফোরাম এবং সামহোয়ার ব্লগে লিখেছিলাম। আজকে হঠাৎ মনে পড়ে গেল। আর লেখাগুলো যাতে হারিয়ে না যায় কোন ভাবে তাই এখন নিজের ব্লগেই আর্কাইভ করার চেস্টা করছি।</p><p><strong>পথে পথে ,মানচুমাহারার পথ চলা-১</strong></p><p>বিকাল আসলে আমার ভেতর একটা অস্থিরতা তৈরি হয় মনে হয় কখন বের হব রাস্তায়,মুক্ত হাওয়ায় কখন ঘুরে বেড়াবো।প্রায় প্রতিদিনই আমি বিকালে ১/২ ঘন্টার জন্য রাস্তা ঘাটে হাঁটি।এটা এখন আমার অভ্যাস হয়ে গেছে মনে হচ্ছে।বেশির ভাগ দিনেই একাই হাঁটি কারন মাঝে মাঝে ২/১ বন্ধুকে বললে রাজি হয়।একা তো কি হইছে পথে কতো মানুষ !<br /> শুধু যে পথে হেঁটেই চলি তা ঠিক নয়।প্রায়ই পথের প্রেমে পড়ে যায়।আর প্রতিদিনই নিজেকে পথের মাঝে নতুন করে আবিস্কার করি।নিজের মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হিসাবে আমি এই সময়টাকে বেছে নিয়েছি&#8230;।<br /> প্রতিদিন নতুন নতুন অভিজ্ঞতা হয়।ভাবছি মাঝে মাঝে আমার পথের আনন্দ-দুঃখ গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।<br /> আমি বেশ খামখেয়ালী,আবার কখনো সিরিয়াস।একদিন রিক্সার ঘুরবো ভাবলাম।এক রিক্সাওয়ালাকে বললাম ভাই যাবেন।সে রাজি হলো ভাড়া চাইলো ২০ টাকা।আমি বললাম ঐখানে ভাড়া ১৫ টাকার বেশি হয় না।ঠিক আছে আমি আপনাকে ১৮ টাকা দেবো।সে আমাকে বেশ তুচ্ছ করে বললো ২ টাকা আবার কোন ব্যাপার নাকি।আমার কথাতা বেশ খারাপ লাগলো।আমি বললাম ২টাকা আপনার কাছে কোন ব্যাপার না।আমি যত দূর জানি দিন মজুর কিংবা খেটে খাওয়া মানুষের ২ টাকা আয় করতেই গায়ের ঘাম ঝরাতে হয়।আমি তাকে বললাম ঠিক আছে,”আপনার কাছে তো ২ টাকা কোন ব্যাপার না,তাহলে আমারে ২ টা টাকা দেন”, সে আশেপাশের রিক্সাওয়ালাদের মুখের দিকে তাকিয়ে আমাকে পকেট থেকে ২ টাকা বের করে দিলো।আমি ঐ ২ টাকা আমার নিজের পকেটে রেখে আমার গন্তব্যের দিকে আবার পায়ে হেঁটেই চলা শুরু করলাম।মাঝে মাঝে একবার পেছেন ফিরে চেয়ে দেখালাম ঐ রিক্সাওয়ালা আমার দিকে করুন দৃষ্টুতে চেয়ে আছে।<br /> আমি জানি না আমি পাপ করেছিলাম না ঠিক করেছিলাম।আমি সেই দিন ঐ ২ টাকা নিয়ে চলে এসেছিলাম পৃথিবীর সব খেটে খাওয়া মানুষকে শ্রদ্ধা জানাতে।আজ এই টুকুই &#8230;।<br /> “আমি আজন্ম ভবঘুরে,<br /> মৃত্যুহীন পথিক ।<br /> একদিন তুই ও এই পথে আসবি কিন্তু<br /> সেই দিন পথিক থাকবে না।।”</p><p><span id="more-702"></span></p><p><strong>পথে পথে,মানচুমাহারার পথচলা-২</strong></p><p>সেদিন দুপুরের খাওয়ার জন্য সেন্ট্রাল ক্যাফেতে গেলাম ৩ বন্ধু মিলে। খাওয়া দাওয়ার এক পর্যায়ে একটা ছোট্ট ছেলে প্রতি দিনের মতো  কিছু প্রায় শুকিয়ে যাওয়া গোলাপ ফুল নিয়ে আসলো আমাদের সামনে। স্যার একটা ফুল নেন-২টাকা- ভাত খাবো। আমরা প্রতিদিন যা করি তাই করলাম&#8230;&#8221;যা ঐ টেবিলে যা, দেখা ঐখানে অনেক আপু আছে&#8230;ঐ খানে জুটি আছে।&#8221;&#8230;কোন কোন দিন ফুল নিই না তবে ২/১ টাকা তাকে দিয়ে দিই কেউ।<br /> সেদিন বার বার আমাদের কাছে আসছিলো স্যার একটা ফুল নেন ভাত&#8230; আমি এক পর্যায়ে বললাম ভাত খাবি ?&#8230; সে মাথা নাড়ালো। আমি নিজের জন্য যা অর্ডার দিলাম ওর জন্য তাই অর্ডার দিলাম। খুব আনন্দের সাথে হাত ধুয়ে এসে সে খেতে বসলো। আমরা সবাই তাকে চেয়ে চেয়ে দেখলাম। এক সময় তার বড় এক ভাই ,প্রায় সমান বয়সী, তাকে পেছন থেকে এসে বললো,কি খাইতেছিস&#8230; কিছুক্ষন পর দেখলাম ছেলেটা তার খাওয়া অর্ধেক শেষ করে তার বড় ভাইকে খেতে দিচ্ছে&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;।।<br /> আমাদের খাওয়া প্রায় শেষ। চলে আসলাম সবাই ।বিকালে এক ফ্রেন্ড (সিয়াম) বললো তুই কয় জনকে পারবি এই ভাবে খাওয়াতে।<br /> আমি হয়তো পারবো না। কিন্তু আমরা সবাই চেষ্টা করলে পারবো। আর যে বয়সে একটা শিশুর স্কুলে যাওয়ার কথা, মার কোলে বসে গল্প শোনার কথা সেই বয়সে তাকে ফুল বিক্রি করতে হয় নিজের খাওয়া জোগাড় করতে&#8230;।<br /> খাওয়ার এক পর্যায়ে দেখলাম ক্যাফের মালিক ছেলেটার কানে কানে বলে গেলো খাওয়ার পর তোকে যেন এই ক্যাফে আর দেখিনা।<br /> পথের গল্পগুলো পথেই শেষ করি। পারলে কিছু করার চেস্টা করি না পারলে চুপচাপ বলে দেই, &#8220;যা সামনের  টেবিলে যা, দেখ অনেক আপা আছে&#8221;।</p><p>মানচুমাহারা</p><p><strong>ঈশ্বরের কিংবা অঈশ্বরের কাছাকাছি-পথে পথে মানচুমাহারা-৩</strong></p><p>ঈশ্বর কোন মন্দিরে থাকেন আমি জানি না। মানুষের হৃদয় কিংবা ইট-বালি-পাথরের তৈরি মন্দিরে&#8230;।<br /> আমি কখনও ঈশ্বরের খোঁজে মন্দিরে যাইনি, যেতে চাইও না।মানুষের মাঝে ,পথের মাঝে ঈশ্বরের খোঁজে মাঝে মাঝেই বের হই। আমার পথের গল্প গুলোর আজ তৃতীয় পর্ব। বেশি সময় নষ্ট করবো না আপনাদের।।</p><p>আমাদের হলের (বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল) সামনের রাস্তায় এক বৃদ্ধা মহিলা প্রতিদিন বসে থাকেন, সারাদিন। কেউ পাশ দিয়ে গেলে তার দিকে একটা থালার মতো পাত্র বাড়িয়ে দেন। কেউ কেউ দেয়, কেউ দেয় না। আমি মাঝে মাঝে খুচরা পয়সা থাকলে কোন কোন দিন দিই। আমি আমার প্রশংসা করতে লিখতে বসিনি। আজ দুপুরে যখন ক্লাস থেকে হলে ফিরছিলাম তখন খেয়াল করলাম সেই বৃদ্ধাকে ঘিরে কিছু ছোট ছোট মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমি একটু আগ্রহ নিয়ে লক্ষ্য করলাম। ওরা মনে হয় প্রাইমারী স্কুলে পরে। স্কুল শেষে বাড়ি ফিরছে। যে জন্য লেখা তা হচ্ছে, ৩/৪ জনের ভেতর একজন তার টিফিন থেকে কয়েকটা রুটি ঐ বৃদ্ধা মহিলাকে দিয়ে বলছে দাদী এখনি খেয়ে ফেল, এখনি খান&#8230;&#8230;&#8230; দাদী যাই&#8230;&#8230;. ।।</p><p>বিকালে অনেক পথ হাঁটাহাঁটির পর পলাশী বাজার হয়ে হলে ফিরছিলাম। এক মুড়িওয়ালার কাছে ঝাল মুড়ি খাব বলে দাঁড়ালাম। মুড়িওয়ালা মুড়ি বানাতে বানাতে বললো একটা ছেলে একটু আগে মুড়ি নিল কিন্তু টাকা না দিয়ে ঝারি দিয়ে চলে গেল। তার আগে সে একটা রিক্সায় করে ঐখানে নেমেছে কিন্তু রিক্সাওয়ালাকে টাকা দেয় নাই। বলছে মাপ করো&#8230;&#8230;..।।</p><p>হুমম ঈশ্বরের দেখা রাস্তায় মেলে সত্যি। কখনও তিনি হাসি মুখে ভিখারী বৃদ্ধা মহিলাকে রুটি দিয়ে যান, আবার কখনও রিক্সাওয়ালা, মুড়িওয়ালার টাকা ফাঁকি দেন। তাঁকে বোঝা এতো সহজ কি?তবে এটুকু বুঝি যে ঈশ্বরের খোঁজে বের হলে শয়তানের দেখাও মিলে যায় মনে হয়।</p><p>আমার পথের গল্প আজ এইটুকুই।।</p><p>বিঃদ্রঃ এখানে আমি আমার কল্পনার ঈশ্বরের কথা বলেছি</p><p><strong>বিয়ের পরে প্রেম মানচুমাহারার পথচলা-৪</strong></p><p>যদি আপনার একটু ফ্রি সময় থাকে তো আসুন। আমি নিজের জীবন থেকে নেওয়া একটা মজার অভিজ্ঞতার কথা বলতে চাই। কারো কাছে যদি মজার না মনে হয় তাহলে কিন্তু আমি দায়ী নই। তাহলে শুনুন আমার পথের গল্প-৪ আর অতি অবশ্যই কোন সিরিয়াস বিষয় নয়।</p><p>ঘটনাটা ভাংচুর করে শেষ বারের মতো যখন বুয়েট বন্ধ হয়ে গেলো তখন করার মতো তেমন কোন কাজ ছিলো না। কারন ছিলাম কাকুর বাসায় আর কম্পিউটার কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগও তেমন পেতাম না। যাই হোক দুইটা টিউশনি ছিল। প্রতিদিন তো আর থাকতো না। কিন্তু সারাদিন করবো কি&#8230;&#8230;.. তাই যখন যেদিক মন চাইতো চলে যেতাম হাঁটতে হাঁটতে। একদিন আমার খুব কাছের বন্ধ সুজিত টিউশনিতে যাবে লাল বাগ কেল্লার কাছাকাছি। আমি ওর সাথে গেলাম। কিন্তু আমিতো আর ওর সাথে স্টুডেন্ট এর বাসায় যেতে পারি না। অগত্যা আমি গিয়ে ঢুকলাম লাল বাগ কেল্লায়। দুপুর রোদ। জুটিদের এমনই ভীড় যে আমি অনেক কষ্টে একটু নিরিবিলি জায়গা বের করতে রীতিমত গলদঘর্ম। অবশেষে বেশ ফাঁকা একটা জায়গা পেলাম। আর একটা কথা বলে রাখি সুজিত আমার এক জন্মদিনে আমাকে একটা ডায়েরী দিয়েছিলো। সেই থেকে আমার কবিতা লেখা শুরু(আসলে কবিতা হয় কিনা জানি না,আমি বিনয় দেখাচ্ছি না), আমার সাথে সব সময় ঐ সময় ঐ ডায়েরী আর একটা কলম থাকতো। পথে ঘাটে যেখানে মাথায় যা আসতো সেইসব লিখে রাখতাম। আর মাঝে মাঝে আপনাদের সামনে সেই গুলি নিয়ে আসি। মনে হচ্ছে প্যাঁচাল বেশি হয়ে যাচ্ছে। তাই মেইনটপিকে চলে আসি।</p><p>দুপুর রোদ। তাই ভাবলাম রোদ নিয়েই একটা <a href="http://forum.projanmo.com/p646.html#p646" target="_blank">কবিতা</a> লিখে ফেলি। শুরু করলাম<br /> চিক চিকে রোদ, মিষ্টি রোদ, ফুটফুটে রোদ,<br /> &#8230;&#8230;&#8230;&#8230;</p><p>কিছুক্ষন যেতে না যেতেই এক জুটি এসে আমাকে বললো,ভাই আমরা কি এখানে বসতে পারি। আমি সহজ সরল ভাবে উত্তর দিলাম অন্যকে বিরক্ত না ,কেল্লার সুস্থ পরিবেশ বজায় রেখে সে কোন জায়গায় বসতে পারেন। হা হা হা&#8230;.. আসলে বলেছিলাম আপনাদের ইচ্ছা হলে বসবেন,আমাকে জিজ্ঞাসা করার কোন দরকার নাই। কিছুক্ষন পর জুটির পুরুষ লোকটি বললো,ভাই আপনি কি কবিতা লেখেন ? আমি বল্লাম,চেস্টা করছি। বলার অপেক্ষা রাখে না যে তাদের ফিসফিসানিতে যে আমার মেজাজ বাঁজখাই হয়ে যাচ্ছিলো।</p><p>আরো কিছুক্ষন পর একটা বড় দল দেখালাম। সব মনে হয় জাপানী অথবা ঐ রকম চেহারার লোকজন। তাদের ভেতর এক জন বাংলাদেশী । উনারা আমাদের কাছাকাছি কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে ছিলো। তো জুটির পুরুষ লোকটা ঐ বাংলাদেশীকে লোকটাকে বললো,ভাই আপনি কোন কলেজে পড়েন ? লোকতা স্তম্ভিত হয়ে বললেন,আমাকে দেখে কি কলেজের ছাত্র মনে হলো আপ্নার?আমি ১৯৮০ সালে এইচ এস সি পাস করেছি&#8230;.!!!!!</p><p>এক সময় জুটির ঐ লোকটা তার সাথের মেয়েকে বলছে,আমাকে শুনিয়ে শুনিয়ে বেশ জোড়ে&#8230;&#8230;</p><p>জানো সবাই প্রেম করে বিয়ের আগে আর আমরা প্রেম করছি বিয়ের পরে</p><p>আমি তো শুনে থ..</p><p>আমি শুধু মনে মনে বল্লাম, আবে হালাই তুই বিয়া করছিস ঠিকই,তয় এইটা তোর বউ না। নিজের বউরে নিয়ে কেউ এই ঘর্মাক্ত দুপুরে কেল্লায় পিরিত করতে আসে না&#8230;</p><p>অবশেষে আমার কবিতা প্রায় শেষ করে ফেললাম আর আমার বন্ধু সুজিতও শেষ করে ফেললো পড়ানো। আমি চলে আসলাম। তবে আজও ঘটনাটা মনে পড়লে আমার হাসি হাসে, হয়তো একা একাই হাসতে থাকি। যা হোক কৌতুক হয় বানানো,এটা আমার বাস্তব জীবনের গল্প থেকে। কাউকে বিন্দু মাত্র আনন্দ দিতে পারলে অনেক খুশি আমি।</p><p><strong>মানচুমাহারার পথ চলা-৫</strong></p><p>ইদানিং একটা প্রশ্নের কোন ভাবেই উত্তর দিতে ইচ্ছে করে না। কেমন আছি&#8230;! সে ভালো থাকি বা খারাপ থাকি। সব থেকে সহজে যে উত্তরটা দেই তাহলো &#8216;হুম&#8217; অথবা তার চেয়ে ও দুনিয়ার সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নের সহজ উত্তর &#8216;জানি না&#8217;.. হা হা হা।<br /> আমার পথা চলার গল্পগুলো আসলে নিতান্তই আমার নিজের ও অবশ্যই সত্য ঘটনা। মাস দুয়েক হলো একটা জব শুরু করেছি। এরপর থেকেই আমার সেই অদ্ভুত ছন্নছাড়া দিনগুলো হারায় গেছে&#8230; কাকে খেয়ে গেছে মনে হচ্ছে। এখন ইচ্ছে হলেও বেশি রাত জাগতে পারি না, পারি না বিকালের দিকে হাতে একটা ল্যাংটা আইস্ক্রিম নিয়ে ঘুরে বেড়াতে&#8230; ঘুম থেকে উঠেই অফিস আবার অফিস থেকেই এক কথায় ঘুমের আগের আড়ম্বরটুকু সারি&#8230; দিনে যতটুকু সময় পাই তার মাঝে মাঝে একটু আধটু আমাদের প্রযুক্তি ফোরাম, প্রজন্ম ফোরাম, সামহোয়ারে ঢুঁ মারি। প্রজন্মতে তেমন লেখা হয় না কিন্তু সুযোগ পেলেই পোস্ট পড়ি। আর যেহেতু প্রযুক্তি ফোরামের এডমিন আমি তাই বাধ্য হয়েই &#8230; কেমন যেন হারিয়ে গেছে সারা রাত জেগে সেই শেষ রাতের দিকে এক ফোঁড় কবিতা লেখার দিনগুলো। সেই দিনগুলো মনে হচ্ছে আসলেই উদ্বায়ু হয়ে ঊড়ে গেছে, টেরপাইনি। আসলে মাঝে মাঝে মনে হয় ব্যস্ততা থেকে মুক্তি চাই। কিন্তু আবার ভাবি এটাতো কেবল শুরু। এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে, যেতে হবে অনেক দূর। কিছুই শেখা হয় নাই এতোদিন, জানি না তেমন কিছুই। মানুষকে ভালোবাসতে শিখি নাই, মিথ্যা বলতে শিখি নাই&#8230; কি করেছি এতো দিন !&#8230;<br /> হ্যাঁ আসল কথাটাইতো বল্লাম না। যখনই কোন ভালো কাজ করি আমার খুব চিৎকার করে সবাইকে বলতে ইচ্ছা করে। গতকাল আমি ১৬তম বার কাউকে রক্তদান করলাম। প্রতিবার রক্ত দেওয়ার পর বেশ একটা আত্মতৃপ্তি পাই। মনে হয় নিজে থেকে কিছু করলাম&#8230;। রক্তদেওয়ার পর একটু খারাপ লাগছিলো(প্লাটিলেটের জন্য নাকি একটু বেশি রক্ত টানে, তবে তেমন বেশি না) কিন্তু উনাদের জানতে দেয়নি। বাসায় ফিরলাম রাত প্রায় ১১টার দিকে। পথে একটা ঘটনা ঘটলো&#8230; হাসির না কষ্টের জানি না&#8230;<br /> রক্ত দেওয়ার পর সাধারনত যারা নিয়ে যায় বা ফোন করে যেতে বলে তারা স্বভাবতই সফট ড্রিকস খাওয়ায়। হাতে একতা পেপ্সির বোতল, অর্ধেক আছে এখনো। রিক্সায় আসছি, পথে আসাদ গেটের কাছে জ্যামের কারনে  কিছুক্ষন এক জায়গায় স্থির রিক্সা। হঠাৎ তিনতা পথ শিশু &#8230; ভাইয়া পেপ্সি দেন। আমি বল্লাম না , দেবো না। বলে দেন না&#8230; দিয়ে দিলাম , কিন্তু এই বার দেখি ওরা মারামারি শুরু করছে। যা বাবা&#8230; এই খানেও ভ্যাজাল। একজন বলে ভাইয়া কারে দিছেন। আমি বল্লাম সবাইরে। ঝগরা মিটে গেলো। আমার রিক্সা আবার চলা শুরু করলো। ফিরে আসলাম আবাসস্থলে।<br /> এভাবেই কেটে যাচ্ছে এক একটা অতি ছোট দিন&#8230;ছোটই তো। একটু আগেই তো ঘুম থেকে উঠে অফিসে গেলাম এখন দেখি কিভাবে আবার ঘুমের সময় এসে গেছে। অনেক কিছুই লিখতে ইচ্ছে করছিলো কিন্তু ফোরামে এতো বড় লিখলেই গলাগলির চেয়ে গালি খাবো হয়।<br /> একটু বড় কিছু লিখতে গেলেই  বানান, বিরাম চিহ্নের ভুলের বন্যা বইয়ে দেয়। আশা করি যেখানে যা কিছু দরকার দিয়ে পড়ে নেবেন।<br /> শুভ রাত্রি</p>Comment is open. You can participate in the discussion by visiting <a href='http://manchumahara.com/2011/12/30/%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b0/'>here</a> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://manchumahara.com/2011/12/30/%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss> <slash:comments>0</slash:comments> </item> <item><title>ছাত্র জীবনে মরিয়া হয়ে টাকা আয় করার জন্য কেন ছুটতে হবে আমার বোধগম্য নয়</title><link>http://manchumahara.com/2011/11/26/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%9f/</link> <comments>http://manchumahara.com/2011/11/26/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%9f/#comments</comments> <pubDate>Sat, 26 Nov 2011 06:19:15 +0000</pubDate> <dc:creator>Manchumahara(Sabuj Kundu)</dc:creator> <category><![CDATA[Bangla Blogs]]></category><guid isPermaLink="false">http://manchumahara.com/?p=698</guid> <description><![CDATA[ছাত্র জীবনে মরিয়া হয়ে টাকা আয় করার জন্য কেন ছুটতে হবে আমার বোধগম্য নয়। ইউনিভার্সিটিতে থাকা অবস্থায়ও অনেক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ১/২ টার বেশি টিউশনি করতাম না। হালাল উপায় পরিশ্রম না করে আমি টাকা আয় করতে কোন ভাবেই রাজি নই। &#8230; <a href="http://manchumahara.com/2011/11/26/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%9f/">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>ছাত্র জীবনে মরিয়া হয়ে টাকা আয় করার জন্য কেন ছুটতে হবে আমার বোধগম্য নয়। ইউনিভার্সিটিতে থাকা অবস্থায়ও অনেক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ১/২ টার বেশি টিউশনি করতাম না। হালাল উপায় পরিশ্রম না করে আমি টাকা আয় করতে কোন ভাবেই রাজি নই। প্রোগ্রামিং স্কিল নাই এই রকম অনেকেই আমার কাছে অনলাইনে কাজের ব্যাপারে সাহায্যের জন্য বলেন, যখনই কাউকে কোন কিছু শিখার জন্য বলি আর খুঁজে পাওয়া যায় না। কারণ সবার ধারণা অনলাইনে কাজ করতে আবার পরিশ্রম করা লাগে নাকি ?<br /> <span id="more-698"></span><br /> একঃ এক দল তরুনদের দেখা যাচ্ছে ডেস্টিনি টাইপের MLM কম্পানীর পেছনে ছুটছে যা তাদের সময় নষ্ট করতে, বাস্তব জীবনে লেখাপড়ার মাধ্যমে শেখা জ্ঞান ধীরে ধীরে ভুলে যাচ্ছে, স্কিল ডেভেলপ করার সময়টুকু সহজে টাকা ইনকাম করার জন্য নষ্ট করছে যা দীর্ঘ মেয়াদী হিসাবে চরম ক্ষতি করছে।</p><p>দুইঃ অনলাইনে নাকি ডলার ওড়ে, কিন্তু এর জন্যও পরিশ্রম করতে হয় সেই সত্যটা অনেকের ক্ষেত্রে পুরাই অজানা। একটা উদাহরণ দেই, সেদিন একজন বাবার সাথে কথা হচ্ছে। তার ছেলে অনলাইনে কাজ করে, সে ওয়েব ডেভেলপার, আমি জানি সে ভালো জানে এবং করে। তার বাবা তাকে কিছুতেই এই পেশাতে রাখতে চান কারণ অনেকেই নাকি আগে এই কাজ করতো আর এখন কাজ করে না বা পায় না। কিন্তু ঐ বাবা নিজেও জানেন না তার ছেলে আসলে কি কাজ করেন আর যাদের কথা বলছেন তারা কি কাজ করে। মানে উনার দৃষ্টিতে সবাই একই কাজ করে !</p><p>তিনঃ লিংক ক্লিক করে টাকা আয় করতে কোন পরিশ্রম বা মেধার প্রয়োজন হয় না। এটাতে যাবেনা না। এটা আপনার চিন্তাকে পঙ্গু করে দেবে। বরং এই সময়ে ফুল পেট না খেয়ে হাফ পেট খেয়ে নিজের স্কিল ডেভেলপ করেন , আপনি সারা দিন লিঙ্কে ক্লিক করে যে টাকা আয় করছেন তা এক ঘন্টা কাজ করেই ভবিষ্যতে আয় করতে পারবেন। লিংক ক্লিক করে টাকা আয় করা কি হারাম ? নিশ্চিৎ ভাবে হারাম নয় এবং আপনি প্রতিটি লিংক ক্লিকের মাধ্যমে অন্যায় করছেন এবং অন্যায় ভাবে টাকা আয় করছেন।</p><p>চারঃ ইদানিং শুনি নাকি অনলাইনে ডলার কিনতে লোকজন ঘুরে বেড়াচ্ছে ! মানে আগে কিছু ডলার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে তারপর খেলা শুরু করে ! আপনি নিশ্চিৎ ভাবে এসব কিছুর সাথে জড়িত হয়ে নিজের সময় এবং অর্থ নষ্ট করছেন আর এর সাথে আপনার বন্ধুদের যুক্ত করে সামাজিক অবক্ষয় ডেকে আনছেন।</p><p>পাঁচঃ ফ্রি ল্যান্স মানে শুধু ঘরে বসে অনলাইনে টাকা আয় করা নয়, অনলাইন একটা মাধ্যম মাত্র।</p><p>ছয়ঃ কেউ বলতে পারেন তাহলে কি করবো ?যারা প্রোগ্রামিং জানেন না তাদের জন্য অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি, লিঙ্ক বিল্ডিং, SEO, SEM, ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটর দিয়ে ডিজাইন ইত্যাদি সহজ পথ গুলো খোলা আছে। এই কাজ গুলো করার জন্য প্রথমে আপনাকে শেখার জন্য সময় দিতে হবে, নিজের সামান্য মেধা অন্তত এগুলোর পেছনে ব্যয় করতে হবে। একাজ গুলো আপনি একটু সময় নিয়ে শিখে নিতে পারলে লিঙ্ক ক্লিক করা বা MLM এর পেছনে দৌড়াতে হবে না।</p><p>সাতঃ টাকার পেছনে অন্ধের মত দৌড়ানোর দরকার নাই। কাজ শিখেন টাকা এবং চাকরি আপনার পেছনে দৌড়াবে। স্বাভাবিক ভাবে যদি দেখেন আপনি টাকা আয় করছেন কিছু কিন্তু কোন প্রকার কায়িক এবং মানসিক পরিশ্রম করছেন না নিশ্চিৎ ভাবে ধরে নিতে পারেন আপনি সঠিক পথে নাই। উল্লেখ্য যে, নতুন কাউকে মগজ ধুলায় করে MLM চক্রে ঢুকানোকে আমি কোন ভাবেই কায়িক এবং মানসিক শ্রম হিসাবে মেনে নেই না।</p>Comment is open. You can participate in the discussion by visiting <a href='http://manchumahara.com/2011/11/26/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%9f/'>here</a> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://manchumahara.com/2011/11/26/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%9f/feed/</wfw:commentRss> <slash:comments>8</slash:comments> </item> <item><title>একজন বিভ্রান্ত মেসি এবং একটি স্বপ্রনোদিত হঠাৎ অদৃশ্য গোলপোস্ট !</title><link>http://manchumahara.com/2011/10/16/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%8f/</link> <comments>http://manchumahara.com/2011/10/16/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%8f/#comments</comments> <pubDate>Sun, 16 Oct 2011 05:35:07 +0000</pubDate> <dc:creator>Manchumahara(Sabuj Kundu)</dc:creator> <category><![CDATA[Bangla Blogs]]></category><guid isPermaLink="false">http://manchumahara.com/?p=691</guid> <description><![CDATA[আমি দীর্ঘ দিন মানে প্রায় সেই ২০০৩ সাল থেকে সময় পেলেই রাস্তায় হাঁটি বিকাল বা সন্ধার মাঝা মাঝি সময়। আগে হাত থাকতো একটা ল্যাংটা আইসক্রিম যেটা চুক চুক করে খেতাম আর রাস্তায় হাঁটতাম। এখন আইসক্রিম খাই না, মুটিয়ে যাচ্ছি বলে &#8230; <a href="http://manchumahara.com/2011/10/16/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%8f/">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>আমি দীর্ঘ দিন মানে প্রায় সেই ২০০৩ সাল থেকে সময় পেলেই রাস্তায় হাঁটি বিকাল বা সন্ধার মাঝা মাঝি সময়। আগে হাত থাকতো একটা ল্যাংটা আইসক্রিম যেটা চুক চুক করে খেতাম আর রাস্তায় হাঁটতাম। এখন আইসক্রিম খাই না, মুটিয়ে যাচ্ছি বলে <img src='http://manchumahara.com/wp-includes/images/smilies/icon_razz.gif' alt=':P' class='wp-smiley' /> যাই হোক রাস্তা দিয়ে আপন মনে চলার সময় বেশ কিছু ছোট ছোট আইডিয়া মাথায় আসে যেগুলোকে চাইলে নাটকের গল্পে পরিনত করা যায়। আগের দিন একটা লিখেছিলাম <a href="http://manchumahara.com/2011/09/26/the-tale-of-a-dog/" title="একটা নাটকের কাহিনী পরিকল্পনা করে ফেল্লাম !">একটা নাটকের কাহিনী পরিকল্পনা করে ফেল্লাম !-একটা কুকুরের কাহিনী</a>!</p><p>আজকে গল্প একজন মেসিকে নিয়ে, তিনি একজন ফুটবলার। যা ভাবছেন আসলে তা না, এই মেসি আর্জেন্টিনার তারকা খেলোয়ার মেসি না। এই মেসি একটি ছোট পরিসরের ভেতর তারকা খেলোয়ার, তিনিও ফুটবল খেলেন, তিনিও এই ছোট্ট পরিসরে পরিচিত। এখানে অন্য কুশিলব হলেন একজন গোলপোস্ট, হ্যাঁ আমি ফুটবল মাঠের দুই প্রান্তে যে দুইটা গোলপোস্ট থাকে তাদের একজনের কথা বলছি তবে এই গোলপোস্ট মেসি যেপাশে খেলে তার উল্টোপাশের।<br /> <span id="more-691"></span><br /> মেসি, মেসি স্বপ্ন দেখে, স্বপ্নের বাস্তবায়নের জন্য যার পরনায় এক রোখা। প্রতিপক্ষের কোন খেলোয়াড়কে সে ভয় পায় না, দৃড় প্রত্যয় নিয়ে বল নিয়ে সে এগিয়ে যেতে চায়। সব বাধা বিপত্তি পেরিয়ে যে গোলপোস্টে বল নিয়ে যেতে চায়।</p><p>কোন  রকম ঘোষনা বা আয়োজন নয়, খেলা শুরু হলো প্রকৃতির নিয়মে। মেসি বল নিয়ে শুরু করলো তার যাত্রা। প্রতিপক্ষের বাঘা বাঘা খেলোয়াড়কে পরাস্থ করে মেসি বল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। মাঠও মসৃণ নয়, মেসি মাঝে মাঝে পড়ে যাচ্ছেন আবার উঠে বল নিয়ে ছুটছেন। তার একটাই নেশা গোলপোস্ট এর কাছাকাছি পৌচ্ছানো,  এতো আর সাধারণ ফুটবল খেলার অসাধারণ মেসি না, এই মেসিকে বল অপর প্রান্তে টেনে নিয়ে যেতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে, করতে হবে একাগ্র চিত্তে পরিশ্রম। মেসি ছুটে চলেছেন, মেসি ছুটছেন বল নিয়ে&#8230;</p><p>মেছি ছুটে চলেছেন বল নিয়ে সুনিপুন মহিমায়&#8230; হায় একি ! মাঠের ওপ্রান্তে গিয়ে মেসি দেখলেন গোল পোস্ট উধাও ! গোলপোস্টের একান্ত সঙ্গী কীপারও নাই, আশে পাশে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসা করলেন কেউ জানেই না এখানে গোলপোস্ট ছিলো, কীপার ছিলো, আস্তে আস্তে দর্শকরাও যেন অদৃশ্য হয়ে যেতে লাগলো &#8230;! মেসি বিভ্রান্ত হয়ে পড়লেন, ক্লান্ত হলেন, ,দূঃখপ্রাপ্ত হলেন, হলেন গোলপোস্টানুভূতি শুন্য !! গোলপোস্টের উপর প্রচন্ড ক্ষোভ এবং অভিমান নিয়ে মেসি মাটিতে বসে পড়লেন  আর নির্বাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন আর মনে মনে চিন্তা করলেন, &#8220;শালার গোলপোস্ট যেদিন বাতাস আমার পালের সঙ্গী হবে সেইদিন তোরে আমি দেইখ্যা লমু !&#8221;</p><p>একজন বিভ্রান্ত মেসি এবং একটি স্বপ্রনোদিত হঠাৎ অদৃশ্য গোলপোস্ট এর গল্প এখানেই শেষ, তবে হয়তো কোন একদিন আবার এখান থেকেই নতুন গল্পের শুরু হবে আর মেসির গল্প এগিয়ে যাবে, আপাতত আমি এখন আবার পেটের ধান্দায় কাজ করতে বসবো।<br /> ধন্যবাদ,</p><p>স্থানঃ নড়াইল, নিজের বাড়ির নিজের চেয়ার</p>Comment is open. You can participate in the discussion by visiting <a href='http://manchumahara.com/2011/10/16/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%8f/'>here</a> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://manchumahara.com/2011/10/16/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%8f/feed/</wfw:commentRss> <slash:comments>3</slash:comments> </item> <item><title>একটা নাটকের কাহিনী পরিকল্পনা করে ফেল্লাম !</title><link>http://manchumahara.com/2011/09/26/the-tale-of-a-dog/</link> <comments>http://manchumahara.com/2011/09/26/the-tale-of-a-dog/#comments</comments> <pubDate>Mon, 26 Sep 2011 10:39:00 +0000</pubDate> <dc:creator>Manchumahara(Sabuj Kundu)</dc:creator> <category><![CDATA[Bangla Blogs]]></category><guid isPermaLink="false">http://manchumahara.com/?p=687</guid> <description><![CDATA[সকাল থেকে অনেক উড়ামুড়া করেও কাজে মন বসাতে পারলাম না। যদিও কাজ শুরু করার আগের সময় টুকুকে আমি ইঞ্জিন গরম হবার সাথে তুলনা করি। মাথায় বেশ কিছু কাহিনী গুরপাক খাচ্ছে যেগুলোকে টেনে লম্বা বানালে একটা এক পর্বের নাটক বানিয়ে ফেলা &#8230; <a href="http://manchumahara.com/2011/09/26/the-tale-of-a-dog/">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>সকাল থেকে অনেক উড়ামুড়া করেও কাজে মন বসাতে পারলাম না। যদিও কাজ শুরু করার আগের সময় টুকুকে আমি ইঞ্জিন গরম হবার সাথে তুলনা করি। মাথায় বেশ কিছু কাহিনী গুরপাক খাচ্ছে যেগুলোকে টেনে লম্বা বানালে একটা এক পর্বের নাটক বানিয়ে ফেলা যাবে। যাই হোক, এই মুহুর্তে যে চিন্তাটা মাথায় আসছে তা অনেকটা পরিচিত গল্পের মতো বা অনেকেই হয়তো বলবেন এটা নতুন কোন গল্প না।</p><p>আচ্ছা নাটকের কাহিনী বলার আগে একটা প্রশ্ন করি, কেউ কি কখনো মুরগীর স্বাভাবিক মৃত্যু দেখেছেন ?  এই ব্যাপারটা গত দুই তিন ধরে  মাঝে মাঝেই চিন্তা সীমানায় আছড়ে পড়ছে !</p><p> এখন নাটকে আসা যাক, কাহিনীর নায়ক বলেন আর কুশিলব বলেন, প্রধান চরিত্রে আছেন একজন কুকুর(দ্য ডগ )।</p><p>এটা একটা কুকুরের আত্মকাহিনী বা এই রকম কিছু না, এটা একটা কুকুরের জীবনের এক খাবলা কাহিনী মানে কাহিনীর আগে পরে আরো অনেক ঘটনা আছে যা আমার জানা নাই।<br /> <span id="more-687"></span><br /> একটা কুকুর, খাবারের প্রতি তার অনেক লোভ। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সময়ের বৃহৎ যোগফলের একটা পর্যায়ে একদিন কুকুর পৌছালো একটি বাড়ির সামনে, বাড়িতে অনেক খাবার। কুকুর স্বপ্ন দেখা শুরু করলো&#8230; আজ সে অনেক খাবার খাবে। বাড়ির চারপাশে ঘুরাঘুরি করে, ফুঁটো খুঁজে। কিভাবে খাবারের কাছে পৌচ্ছানো যায়! অনেক চেস্টা করে পৌচ্ছে গেল খাবারের কাছে, চেয়ে রইলো অনেক আগ্রহের দৃষ্টি নিয়ে। আমি ঠিক পুরা ব্যাখ্যা করতে পারবো না খাবারের প্রতি তার কি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, কি আকাংখা ! কিন্তু যা হয় খাবারের মালিক কুকুরকে  পাত্তাই দিলো, উপরন্তু একটা লাঠি দিয়ে দিলো আচ্ছা মতো &#8216;কষান আর ঘাপান&#8217;।<br /> কুকুর ক্যা ক্যা ক্যা করতে করতে দিলো দৌড় ! হাপাতে হাপাতে দূরে গিয়ে করুন দৃষ্টি নিয়ে পেছনে ফিরে তাকালো। খাবার যে তার চাই ই চাই। অতঃপর পূর্বোক্ত ঠ্যাঙানির ব্যাথা সেরে গেলে কুকুর আবার সেই বাড়ির কাছে ! আলু ঢালু চোখে তাকায় ।। বাড়ির পাশে বসে বসে সে স্বপ্ন দেখে দিকবিদিক(বানানে ঝামেলা আছে মনে হচ্ছে ) &#8230;তার স্বপ্ন ভাঙলো পুনরায় ঠ্যাঙানি খেয়ে &#8230; ক্যা ক্যা ক্যা &#8230;। &#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;অতঃপর কুকুর আবার গেল সেই বাড়ির সামনে ।। এবার খাবারের মালিক কুকুরকে দেখে একটু ভাব জমালো। অনেক রং ঢং হইলো। খাবারের মালিক সুস্বাদু খাবারের তালা হাতে চ্যাং ব্যাং করে কিন্তু কুকুরকে খাইতে দেয় না। কুকুর যখন আবার স্বপ্নে বিভোর&#8230; আবার ঠ্যাঙানি &#8230;এই ভাবে চলে চলতে চলতে কুকুরের মনে অনেক অভিমান জমে গেল। সে খাবার খায়তে চায় না। সে আর যায় না ঐ বাড়ির কাছে। খাবারের মালিক কুকুরের অনুপস্থিতি বুঝতে পারলো, কুকুরের জন্য তার মায়া হওয়া শুরু হলো। মাঝে মাঝে এর ওর কাছে কুকুরের খবর জানতে চায়। কিন্তু কুকুর আর ঐ বাড়িতে দিকে ফিরে না। তার মানে জমে গেছে &#8216;খাদ্যাভিমান&#8217; !</p><p>কুকুর আর ঐ বাড়ির সামনে যায় না, খাবারের মালিক কুকুরকে হাজার সাধলেও কুকুর আর খায় না। খায় না&#8230; এবং খায় না।</p><p>আমার গল্প শেষ। এখন সবাই ভাগেন।  কাজ শুরু করার জন্য ইঞ্জিন এখন যথেষ্ট গরম। আমি এখন কাজে মন দেব ।</p><p>ধন্যবাদ।</p>Comment is open. You can participate in the discussion by visiting <a href='http://manchumahara.com/2011/09/26/the-tale-of-a-dog/'>here</a> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://manchumahara.com/2011/09/26/the-tale-of-a-dog/feed/</wfw:commentRss> <slash:comments>11</slash:comments> </item> <item><title>আসুন ওয়ার্ডপ্রেসের ড্যাশ বোর্ড পরিস্কার করি</title><link>http://manchumahara.com/2011/05/26/lets-clean-wordpress-dashboard/</link> <comments>http://manchumahara.com/2011/05/26/lets-clean-wordpress-dashboard/#comments</comments> <pubDate>Thu, 26 May 2011 13:23:01 +0000</pubDate> <dc:creator>Manchumahara(Sabuj Kundu)</dc:creator> <category><![CDATA[Bangla Blogs]]></category> <category><![CDATA[Tips and Tricks]]></category> <category><![CDATA[wordpress]]></category> <category><![CDATA[Wordpress Themes]]></category><guid isPermaLink="false">http://manchumahara.com/?p=677</guid> <description><![CDATA[ওয়ার্ডপ্রেসের এডমিন প্যানেলে লগিন করলেই একগাদা বক্স এসে হাজির হয়। যদিও স্ক্রিন অপশন থেকে সেগুলো সহজে তাড়ানো যায় কিন্তু যদি এমন হয় এডমিন নিজেই ড্যাশবোর্ড পরিস্কার করে রেখে দিলেন নতুন সদস্যের জন্য। তবে এই পরিস্কার এর কাজটা আমরা করবো সামান্য &#8230; <a href="http://manchumahara.com/2011/05/26/lets-clean-wordpress-dashboard/">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>ওয়ার্ডপ্রেসের এডমিন প্যানেলে লগিন করলেই একগাদা বক্স এসে হাজির হয়। যদিও স্ক্রিন অপশন থেকে সেগুলো সহজে তাড়ানো যায় কিন্তু যদি এমন হয় এডমিন নিজেই ড্যাশবোর্ড পরিস্কার করে রেখে দিলেন নতুন সদস্যের জন্য। তবে এই পরিস্কার এর কাজটা আমরা করবো সামান্য কিছু পিএইচপি কোডিং করে।</p><p>ধাপ একঃ প্রথমে আপনার থীমের functions.php ফাইলে এ ২টি ফাংশন লিখতে হবে। মনে রাখবেন প্লাগিন এর কোডগুলো চাইলে functions.php ফাইলেও লেখা যায়। তাহলে শুরু করা যাকঃ</p><pre class="brush: php; title: ; notranslate">
    //Define the function which unsets the boxes
    function remove_dashboard_widgets() {
            global $wp_meta_boxes;
            myprint_r($wp_meta_boxes);
            /*
            //unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['dashboard_right_now']);
            # Remove plugins feed
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['dashboard_plugins']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['side']['core']['dashboard_plugins']);
            # Remove &quot;WordPress News&quot;
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['dashboard_primary']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['side']['core']['dashboard_primary']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['dashboard_secondary']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['side']['core']['dashboard_secondary']);
            # Remove incoming links feed
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['dashboard_incoming_links']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['side']['core']['dashboard_incoming_links']);

            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['side']['core']['dashboard_recent_drafts']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['dashboard_recent_comments']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['side']['core']['dashboard_quick_press']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['events_dashboard_window']);
           */
    }
    // Now hook in to the action
    add_action('wp_dashboard_setup', 'remove_dashboard_widgets', 20, 0);

    //better print_r function taken from
    //http://stackoverflow.com/questions/1386331/php-print-r-nice-table
    function myprint_r($my_array) {
        if (is_array($my_array)) {
            echo &quot;&lt;table border=1 cellspacing=0 cellpadding=3 width=100%&gt;&quot;;
            echo '&lt;tr&gt;&lt;td colspan=2 style=&quot;background-color:#333333;&quot;&gt;&lt;strong&gt;&lt;font color=white&gt;ARRAY&lt;/font&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;';
            foreach ($my_array as $k =&gt; $v) {
                    echo '&lt;tr&gt;&lt;td valign=&quot;top&quot; style=&quot;width:40px;background-color:#F0F0F0;&quot;&gt;';
                    echo '&lt;strong&gt;' . $k . &quot;&lt;/strong&gt;&lt;/td&gt;&lt;td&gt;&quot;;
                    myprint_r($v);
                    echo &quot;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&quot;;
            }
            echo &quot;&lt;/table&gt;&quot;;
            return;
        }
        echo $my_array;
    }
</pre><p><span id="more-677"></span><br /> ড্যাসবোর্ড এর বক্স বা উইডগেট গুলো একটা গ্লোবাল ভেরিয়েবল $wp_meta_boxes (টাইপ এরে) এ থাকে । এটা একটা মাল্টিডাইমেনশনাল এরে। যদি উপরের কোডটা লিখে ওয়ার্ডপ্রেসের এডমিন প্যানেলে প্রবেশ করেন তাহলে <a href="http://www.webpagescreenshot.info/img/259669-525201150932PM">এই ছবির</a> মতো দেখতে পারবেন।</p><p>দুইঃ এখন আমরা এটা দেখে দেখে বক্স বা উইডগেট গুলো বন্ধ করবো<br /> এখন আমরা remove_dashboard_widgets ফাংশনের কমেন্ট করা অংশ এক্টিভ করবো এবং দরকারে myprint_r($wp_meta_boxes); লাইনটা কমেন্ট করে দেবো।</p><pre class="brush: php; title: ; notranslate">
    //Define the function which unsets the boxes
    function remove_dashboard_widgets() {
            global $wp_meta_boxes;
            //myprint_r($wp_meta_boxes);
            //var_dump('&lt;pre&gt;'.$wp_meta_boxes.'&lt;/pre&gt;');

            //unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['dashboard_right_now']);
            # Remove plugins feed
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['dashboard_plugins']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['side']['core']['dashboard_plugins']);
            # Remove &quot;WordPress News&quot;
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['dashboard_primary']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['side']['core']['dashboard_primary']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['dashboard_secondary']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['side']['core']['dashboard_secondary']);
            # Remove incoming links feed
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['dashboard_incoming_links']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['side']['core']['dashboard_incoming_links']);

            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['side']['core']['dashboard_recent_drafts']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['dashboard_recent_comments']);
            unset($wp_meta_boxes['dashboard']['side']['core']['dashboard_quick_press']);
            //unset($wp_meta_boxes['dashboard']['normal']['core']['events_dashboard_window']);

    }
</pre><p>তিনঃ অনেক সময় নতুন প্লাগিন ড্যাশবোর্ড এ নতুন বক্স যুক্ত করে যা আমরা ধাপ এক এর মতো দেখে দেখে বন্ধ করে দিতে পারি। তবে এই কাজের জন্য দরকার হবে সামান্য পিএইচপি জ্ঞান <img src='http://manchumahara.com/wp-includes/images/smilies/icon_confused.gif' alt=':-?' class='wp-smiley' /></p><p>চারঃ<br /> ভাবছি একটা প্লাগিন নামিয়ে ফেলবো যেখান থেকে কি কি বক্স আছে তা ইচ্ছা মতো বন্ধ করা যাবে আবার দরকার এক্টিভেট করে দেওয়া যাবে।<br /> কেউ চাইলে আমার সাথে এই প্লাগিন এর কাজে অংশ নিতে পারেন। আমি আইডিয়া এবং কোড স্যাম্পেল দিয়ে দেবো শুরু করার জন্য এবং আপনাকে বাদ বাকী কাজটা সারতে হবে।</p><p>লেখাটি <a target="_blank" href="http://forum.amaderprojukti.com/viewtopic.php?f=60&#038;t=6629&#038;p=52949#p52949">আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে</a> পূর্বে প্রকাশিত।</p>Comment is open. You can participate in the discussion by visiting <a href='http://manchumahara.com/2011/05/26/lets-clean-wordpress-dashboard/'>here</a> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://manchumahara.com/2011/05/26/lets-clean-wordpress-dashboard/feed/</wfw:commentRss> <slash:comments>8</slash:comments> </item> <item><title>দেওয়াল</title><link>http://manchumahara.com/2010/04/25/thewall/</link> <comments>http://manchumahara.com/2010/04/25/thewall/#comments</comments> <pubDate>Sun, 25 Apr 2010 16:04:56 +0000</pubDate> <dc:creator>Manchumahara(Sabuj Kundu)</dc:creator> <category><![CDATA[Bangla Blogs]]></category> <category><![CDATA[My Bengali Poems]]></category> <category><![CDATA[bengali poem]]></category> <category><![CDATA[manchukabya]]></category> <category><![CDATA[mkabya]]></category> <category><![CDATA[কবিতা]]></category> <category><![CDATA[বাংলা কবিতা]]></category> <category><![CDATA[মানচুকাব্য]]></category><guid isPermaLink="false">http://manchumahara.com/?p=476</guid> <description><![CDATA[একটা উচু দেওয়ালের সামনে প্রতিদিনই দাঁড়ায় আর ভাবি এই দেওয়ালটার তৈরি না হলে কি খুব ক্ষতি হতো ? মাঝে মাঝে ভাবি দেওয়ালটি জবরদস্তি করে ভেঙ্গে ফেলি কিংবা এতো দূরে পালিয়ে যায় যেখান থেকে আমি চাইলেও এই দেওয়ালের কাছে আসতে পারবো &#8230; <a href="http://manchumahara.com/2010/04/25/thewall/">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>একটা উচু দেওয়ালের সামনে প্রতিদিনই দাঁড়ায় আর<br /> ভাবি এই দেওয়ালটার তৈরি না হলে কি খুব ক্ষতি হতো ?</p><p>মাঝে মাঝে ভাবি দেওয়ালটি জবরদস্তি করে ভেঙ্গে ফেলি কিংবা<br /> এতো দূরে পালিয়ে যায় যেখান থেকে আমি চাইলেও এই দেওয়ালের কাছে আসতে পারবো না &#8230; হে হে</p><p>ধরে নিলাম, আমি দেওয়াল ভেঙ্গে ফেলেছি কিন্তু<br /> এইযে এতো বছর ধরে মনের ভেতর আর এক বিশাল দেওয়াল তৈরি হয়েছি সেটার কি হবে ?</p><p>ভাবছো আমি নিরাশাবাদী &#8230; হে হে না ঠিক তেমনটি নয়, আমি জানি আমি একদিন এই মনের দেওয়ালও ভেঙে ফেলবো, তারপর ?<br /> দেওয়ালের ওপাশে যা আশা করেছিলাম তা থাকবেতো, নাকি সবই ফাঁকি।।</p><p>ভাবছি দেওয়ালের প্রতিপালককে ধমক দিয়ে বলি,<br /> ফাজলামি পাইছো, ইচ্ছা হইলো আর দেওয়াল তুলে মজা দেখো না ?<br /> &#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br /> ২৫.০৪.২০১০<br /> উৎসর্গঃ একটি অদৃশ্য দেওয়াল এবং তার প্রতিপালককে</p>Comment is open. You can participate in the discussion by visiting <a href='http://manchumahara.com/2010/04/25/thewall/'>here</a> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://manchumahara.com/2010/04/25/thewall/feed/</wfw:commentRss> <slash:comments>7</slash:comments> </item> <item><title>এবং আমি</title><link>http://manchumahara.com/2010/04/13/myself/</link> <comments>http://manchumahara.com/2010/04/13/myself/#comments</comments> <pubDate>Mon, 12 Apr 2010 18:13:11 +0000</pubDate> <dc:creator>Manchumahara(Sabuj Kundu)</dc:creator> <category><![CDATA[Bangla Blogs]]></category> <category><![CDATA[bangla poem]]></category> <category><![CDATA[poem]]></category> <category><![CDATA[মানচুকাব্য]]></category><guid isPermaLink="false">http://manchumahara.com/?p=469</guid> <description><![CDATA[মনের ভেতর সব সময় একটা অস্থিরতা অনুভব করি দিনে দিনে এই অস্থিরতা গতিশীল-স্থির রূপ নিয়েছে। একটা প্রচন্ড ভবঘুরে ঝড় সব সময় তাড়া করে, এই অস্থিরতাই আমার চলার শক্তি, আমার অনুপ্ররণা। পথকে কখনো ভুলিনি, পথই ভুলে গেছে আমাকে বারে বার, আর &#8230; <a href="http://manchumahara.com/2010/04/13/myself/">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>মনের ভেতর সব সময় একটা অস্থিরতা অনুভব করি<br /> দিনে দিনে এই অস্থিরতা গতিশীল-স্থির রূপ নিয়েছে।<br /> একটা প্রচন্ড ভবঘুরে ঝড় সব সময় তাড়া করে,<br /> এই অস্থিরতাই আমার চলার শক্তি, আমার অনুপ্ররণা।</p><p>পথকে কখনো ভুলিনি, পথই ভুলে গেছে আমাকে বারে বার,<br /> আর এই পথের টানেই যত অস্থিরতা, ভবঘুরে নেশা।</p><p>কখনো স্থির হতে চাই না, তাহলে আমার পথা চলা থেমে যাবে!</p><p>১৩।০৪।২০১০<br /> সবাইকে আগাম শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪১৭<br /> উৎসর্গঃ তোকে</p>Comment is open. You can participate in the discussion by visiting <a href='http://manchumahara.com/2010/04/13/myself/'>here</a> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://manchumahara.com/2010/04/13/myself/feed/</wfw:commentRss> <slash:comments>2</slash:comments> </item> <item><title>স্বপ্ন</title><link>http://manchumahara.com/2009/12/14/dream/</link> <comments>http://manchumahara.com/2009/12/14/dream/#comments</comments> <pubDate>Sun, 13 Dec 2009 21:23:19 +0000</pubDate> <dc:creator>Manchumahara(Sabuj Kundu)</dc:creator> <category><![CDATA[Bangla Blogs]]></category> <category><![CDATA[My Bengali Poems]]></category> <category><![CDATA[bangla kabita]]></category> <category><![CDATA[dream]]></category> <category><![CDATA[passion]]></category> <category><![CDATA[poem]]></category><guid isPermaLink="false">http://manchumahara.com/?p=404</guid> <description><![CDATA[হয়তো চাইলেই গল্প- কবিতার মত এক ঝাঁক বুনো হাঁসের দলে মিশে যাওয়া যায় না। কিন্তু স্বপ্ন দেখতে তো কোন দোষ নেই, শুধু লাগে সামান্য টুকু সাহস। উৎসর্গঃ স্বপ্ন দেখার সামান্য টুকু সাহস যাদের নেই Comment is open. You can participate &#8230; <a href="http://manchumahara.com/2009/12/14/dream/">Continue reading <span class="meta-nav">&#8594;</span></a>]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>হয়তো চাইলেই গল্প- কবিতার মত<br /> এক ঝাঁক বুনো হাঁসের দলে মিশে যাওয়া যায় না। কিন্তু<br /> স্বপ্ন দেখতে তো কোন দোষ নেই, শুধু লাগে সামান্য টুকু সাহস।</p><p>উৎসর্গঃ স্বপ্ন দেখার সামান্য টুকু সাহস যাদের নেই</p>Comment is open. You can participate in the discussion by visiting <a href='http://manchumahara.com/2009/12/14/dream/'>here</a> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://manchumahara.com/2009/12/14/dream/feed/</wfw:commentRss> <slash:comments>3</slash:comments> </item> </channel> </rss>
<!-- Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: http://www.w3-edge.com/wordpress-plugins/

Minified using disk: basic
Page Caching using disk: enhanced
Database Caching 23/103 queries in 0.157 seconds using disk: basic
Object Caching 933/1017 objects using disk: basic

Served from: manchumahara.com @ 2012-02-05 18:04:06 -->
