Category: Bangla Blogs

আজ আবার ঘুরে আসলাম “উবুন্ট ৮.০৪ রিলিজ পার্টি বাংলাদেশ” থেকে

কপাল মন্দ তাই ছুটির দিনেও অফিস করতে হয়েছে। এদিকে উবুন্টু এর রিলিজ পার্টির দিন অনেক আগে থেকেই ঘোষনা দিয়ে রেখেছে উবুন্টু বাংলাদেশ। যাবোই যাবো এই রকম চিন্তা ছিলো। কিন্তু বাধ সাধলো অফিসের ছুটি বাতিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেরিতে হলেও বিকাল ৫.৩০ এ গিয়ে পৌচ্ছালাম। অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলো উবুন্টু বাংলাদেশ। স্থান ছিলো মোঃপুর কাঁচা বাজারের পাশের হাঙ্গার প্রজেক্টের অফিসে। যেহেতু অনুষ্ঠানে প্রথম থেকে থাকতে পারি নাই তাই শুরু থেকে শেষ বর্ননা করতে পারবো না। যাই হোক, আমি যখন গেলাম দরজা খুলেই দেখি হাসিন ভাই দাড়িয়ে আছেন। বল্লেন মানচু এতো দেরি করলে… কি আর বলবো দুঃখের কথা…বল্লাম ভাইয়া অফিস ছিলো। আমি গিয়ে দেখলাম অমি ভাই স্ক্রিনে দেখাচ্ছিলেন কিভাবে বাংলা কিবোর্ড অপশন এনাবল করা যায় উবুন্টুতে। অনুষ্ঠানে হয়তো অনলাইনে পরিচিত অপরিচিত অনেকেই ছিলেন কিন্তু আগে আগে যেতে পারি নাই বলে সবার পরিচিতি দিতে পারছি না। আর উবুন্টু বাংলাদেশের প্রধান রাসেল ভাই ছিলেন, উনার সাথে কথা হলো। আমাদের প্রযুক্তি ও প্রজন্ম ফোরামের অনেক মেম্বারের সাথে দেখা হলো। আশাবাদী, আলোকিত, তারুন্য, আশফাক, ম্যাচলেচ অনেকের সাথে দেখা হলো, কথা হলো। আর হ্যাঁ আমার সাথে আমার অফিসের বড় ভাই সৌমেন দাশ, ডেলোয়ার ভাই ছিলেন। আগে আগে চুপি চুপি তিনটা ডিভিডি নিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবার আগেই চলে আসলাম, কারন ক্লান্ত লাগছিলো। যেহেতু প্রথম থেকে শেষ থাকা সম্ভব হয়নি তাই অনুষ্ঠানে বিস্তারিত বলতে পারছি না। দুঃখ প্রকাশ জ্ঞাপন এখানে শেষ করছি।

“ফেডোরা ৯ রিলিজ পার্টি বাংলাদেশ” থেকে ঘুরে আসলাম

এই মাসের ১৩ তারিখে বের হয়েছে লিনাক্সের অন্যতম ডিস্টো ফেডোরা ৯. বাংলাদেশে আজকে ঢাকাতে আজিম পুরের পাশে পলাশী বাজারের কাছাকাছি ফ্রেফড সেন্টারে হয়ে গেলো ফেডোরা৯ রিলিজ পার্টি বাংলাদেশ। বিকালে ফ্রি ছিলাম তাই নিজেই গিয়েছিলাম। আর স্থান আমার নিবাসের কাছেই। যাই হোক অনুষ্ঠানের অভিজ্ঞতা জানাতে এই পোস্ট।

অনুষ্ঠান বরাবরের মতো আধা ঘন্টা পরে শুরু হলো, বিকাল ৫.৩০ এ। অনুষ্ঠান সামগ্রীক আয়োজনে ছিলো অংকুর বাংলাদেশ। অংকুর বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা অনেকেই ছিলেন অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ফোডোরার ইতিহাস ও ফেডোরা প্রজেক্ট নিয়ে স্পিচ দিলেন ইমতিয়াজ রাহী। বলে রাখা ভালো যে ইমিতিয়াজ রাহী বাংলাদেশের প্রথম ফেডোরা এম্বেসেডর(এক সময় রাহী ভাই আমাদের বর্তমান কর্মস্থল গ্রামীন সল্যুশনে ছিলেন) । এর পর অংকুরের মেম্বার যাহের (নামের বানান ভুল হতে পারে) ফেডোরা ৯ এর নতুন ফিচার গুলো জানালেন। অনুষ্ঠানের উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন বেলায়েত হোসেন(বাংলা উইকিপিডিয়ার একজন প্রশাসক)। আসলে যারা এসেছিলেন তাদের অনেকেই বাংলা উইকি, একুশে, অংকুর, বিডিওএসএন এর সাথে জড়িত তাই আলাদা ভাবে কারো পরিচয় দিলে ভুল হবে। অংকুরের ইতিহাস নিয়ে বল্লেন জামিল ভাই। মাঝে মাঝে ছোট খাট প্রশ্নের উত্তর বক্তারা দিচ্ছিলেন।

এক পর্যায়ে হালকা মোজোর ছোট বোতল দিয়ে সবাই একটু গলাটা ভিজিয়ে নিলাম।সব শেষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই ফেডোরা৯ এর ফ্রি ডিভিডি দেওয়া হয়। প্রায় সন্ধ্যা ৭.৩০ এর দিকে অনুষ্ঠান থেকে বের হয়ে আসি। সাদামাটা অনুষ্ঠান হলেও বেশ ভালো লাগলো এই ধরনের উদ্যোগ দেখে। অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য অংকুর বাংলাদেশকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই।

[প্রিভিউ]গুগল নোল (Google Knol)

গুগল নোল (Google Knol)
======================================

যখনই কিছু খোঁজার দরকার হয় আমরা নিশ্চয় সবার আগে ঢুঁ মারি গুগলে। গুগলের অসংখ্য সার্ভিসের ভেতর গুগল সার্চই অন্যতম। কি আসে না গুগল সার্চে ? আমিতো মাঝে মাঝে ভাবি যদি কোন দিন নিজের বাসার ঠিকানা ভুলে যায় তাহলে রাস্তার পাশের কোন সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে সার্চ দিলে মনে হয় পেয়ে যাব বাসার ঠিকানা…হা হা হা।

গুগল এই যে এতো কিছু সার্চ করে আনে এটা গুগলের ক্রেডিট কিন্তু গুগল রেজাল্টগুলো দেখায় বিভিন্ন সাইটের লিঙ্ক আর কিছু নিজের ক্যাশ, আর্কাইভ থেকে। যেমন যে কোন তথ্যের জন্য অনলাইনে উইকিপিডিয়া হলো অন্যতম। গুগল সার্চে প্রায় দেখা যায় উইকিপিডিয়ার লিংক আগে থাকে। গুগল বট ক্রিপ্ট ব্যবহার করে উইকি সহ প্রায় জনপ্রিয় বেশির ভাগ সাইট (হিট বা গুগল র‌্যাংক এর প্রাধান্য অনুসারে) প্রায় প্রতিদিন ইনডেক্স করে। এখন যদি এমন হয় উইকির মতো সব তথ্য গুগলের নিজের থাকবে তাহলে কেমন হবে ? হ্যাঁ গুগল ঠিক সেই ধরনের একটা কাজ করতে যাচ্ছে। গুগলের একদম সাম্প্রতিক প্রজেক্টের নাম ‘গুগল নোল (Google Knol)’। আমার এই পোস্টের আসল বিষয় বস্তু গুগল নোল নিয়েই।

গুগল নোল কি ?
======================================
নোল হল একটা ফ্রি টুল যার আভিধানিক অর্থ হলো জ্ঞানের একক। গুগল যা করবে তা হলো লেখকদের বিভিন্ন টপিক নিয়ে লেখার জন্য অনুরোধ করবে। এই জন্য গুগল লেখকের নাম উল্লেখ(যা সাধারনত করা
হয়না) সহ তাদের জন্য সম্মানীর ব্যবস্থা করবে। লেখালেখি জনিত কোন কাজ গুগল করবে না তবে লেখা, সম্পাদনা ইত্যাদি করার জন্য সহজ টুল সরবরাহ করবে যার নাম নোল। নোলের তথ্য যে কোন বিষয়ের হতে পারে আর এটি সবাই ব্যবহার করতে পারবে ফ্রি। তথ্যও সবার জন্য হবে উন্মুক্ত।

উইকির মতো নোল কমিউনিটির ব্যবস্থা করবে মানে কোন লেখার উপর মন্তব্য, সম্পাদনা ইত্যাদির ব্যবস্থা থাকবে। উইকির সাথে এর অন্যতম পার্থক্য হবে উইকিতে কোন এড দেওয়া হয় না। কিন্তু নোলে কোন নির্দিষ্ট টপিকে ঐ টপিক সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন দেবে গুগল যার আয় থেকেই একটা অংশ পাবে ঐ টপিকের লেখক। এতে করে একই সাথে লেখকগন ও গুগল উভয়েই উপকৃত হবে।

উইকিপিডিয়া ও গুগলের নোলঃ
=====================================
উইকিপিডিয়া উইকিতে গুগলের এড দিতে রাজি হয়নি। এমনকি সম্প্রতি উইকিপিডিয়া তাদের উইকিয়া (এটা নন প্রফিট নয়) প্রকল্পের মাধ্যমে গুগলের মতো কার্যকরি সার্চ ইঞ্জিন প্রকাশ করতে যাচ্ছে এই মাসেই। অবশ্য এতে গুগলের তেমন কোন ক্ষতি হবে বলে মনে হয় না। তবে গুগল কখনই আগে তার কোন প্রজেক্ট মোটামুটি শেষ হবার আগে ঘোষণা দেয়নি যা এবার দিয়ে এবং এটা যে উইকিপিডিয়ার সাথে

একটা ঠান্ডা যুদ্ধ ঘোষণা তা হয়তো বলা যায়…হা হা হা।
দেখুন উইকিয়া সার্চ কেমন হতে পারে তা নিচের ছবি থেকে।
ছবি

একটা ব্যাপার হলো গুগল সার্চ ইঞ্জিন দিয়ে ব্যবহারকারীকে তখন সন্তুষ্ট করতে পারে যখন সার্চ রেজাল্ট ব্যবহারকারীর যা দরকার তার কাছাকাছি চলে আসে। আর এই কাজে ইউকিপিডিয়ার ভান্ডার গুগলকে দিয়ে আসছে অন্য রকম সহযোগিতা। নোলকে অনেকেই অবিহিত করছেন স্কলারপিডিয়া নামে।

দেখা যাক গুগলের নোল উইকিপিডিয়ার সাথে পাল্লাতে মেতে উঠছে নাকি ভিন্ন ধারার তথ্য ভান্ডার নিয়ে আছে যেখানে এক সাথে সার্ভিস প্রোভাইডার, তথ্য দানকারী, তথ্য অনুসন্ধানকারী সবাই উপকৃত হবে।

বহিঃসংযোগ
নোলের উদাহরণ
গুগলের অফিসিয়াল ব্লগ
উকিয়া সার্চ
গুগল আনঅফিসিয়াল ব্লগ

ফায়ারফক্স এডঅনঃ কাস্টমাইজ গুলল

ফায়ারফক্স ব্যবহারের সুবিধা হলো এতে অনেক এডঅন ব্যবহার করা যায় বিশেষ বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য। যে কোন সময় এডঅন ইনস্টল, সক্রিয় ও নিস্ক্রিয় করে রাখা যায়। মনে রাখবেন বেশি বেশি এডঅন ব্যবহার মানেই বেশি সুবিধা তা কিন্তু নয়। যেগুলো কাজের বা সব সময় লাগে সেই গুলো সক্রিয় রাখুন কারণ এডঅন ব্যবহারে বেশি মেমোরি নেয় ফায়ারফক্স যা অনেকের জন্য চিন্তার বিষয়।

গুগলের বিভিন্ন সার্ভিস ব্যবহার করি আমরা প্রায় প্রতিদিন। গুগলের সার্ভিসগুলো ব্যবহার করার সময় নিজের ইচ্ছা মতো কিছু কাস্টমাইজ করা যাবে এই ধরনের একটা এডঅন হলো কাস্টমাইজ গুগল বা customizegoogle.

এডঅনটির বিশেষ ফিচারগুলো নিম্নরুপঃ

  1. Use Google Suggest (suggest words while you’re typing)
  2. Add links to competitors
  3. Rewrite links to point straight to the images in Google Images
  4. Removes image copying restrictions in Google Book Search
  5. Secure Gmail and Google Calendar, switch to https
  6. Block Google Analytics cookies
  7. Hide the Gmail spam counter
  8. Make URL previews on sponsored links visible
  9. Add favicons in the web search result
  10. Remove ads
  11. Anonymize your Google userid
  12. Add a result counter in search result
  13. Filter spammy websites from search results
  14. Add links to WayBack Machine (webpage history)
  15. Remove click tracking
  16. Add links from Google to your bookmark manager
  17. Use a fixed font for Gmail mail bodies
  18. Stream Google search result pages
  19. Sticky Google Preferences

এডঅনটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে।

ছোট ছোট ঈশ্বরের ঈশ্বর

ছোট ছোট ঈশ্বরের ঈশ্বর

হে ঈশ্বর তুমি আমাদের পাঠালে
আমরা তোমাকে ছোট ছোট খন্ড করলাম !
আমরা তোমার শাখাপ্রশাখার
ভেতর আরও ছোট ছোট ঈশ্বর তৈরি করলাম।
এখন তোমার অনেক নাম ,আমাদের দেওয়া নাম
তোমার নামে আমরা ব্যবসা করি,
তোমাকে প্রতিদিন বিক্রি করি এবং
তোমার নামে ছদ্দবেশে জিকির করি।

হে প্রভু ,আমি অনুতপ্ত এবং
আমি এই ছোট ছোট ঈশ্বরদের দলে মিশে আছি।

হে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ঈশ্বর
তোমারা এক হও,
হে ঈশ্বরদের ঈশ্বর তুমি জেগে ওঠো।

মানচুমাহারা
28.03.06 ,Tuesday

স্থির অস্থির গাংচিল

স্থির অস্থির গাংচিল

=======================

সময়ের দীর্ঘপথে আমি স্থির পথিক
আমার দুরন্ত মন ছোট্ট একটা সময়ের বন্ধী।
উলঙ্গ আমি ভবঘুড়ে সারাদিন-প্রতিদিন
ছুটে চলি একই পথে-একই বৃত্তের পরিধিতে।।
স্বপ্ন ছবি মনের রঙে রঙ্গীন করি -আমি এক স্বপ্ন পথিক।
ছায়াঘুমে জড়িয়ে পড়ে বহেম-আমি ছায়া পথ-
ধরে হেঁটে যাই-ছায়া পথিক।।

রংধনুর মায়ায় থেমে যায় আমার অস্থির পথ চলা
ঝোলার ঈশ্বর বাক্স-বন্ধী,আদরের হাসি উদ্বায়ী-
একটু একটু করে ব্যাসার্ধ বাড়ে আমার বৃত্তের ।।

ছোট ছোট নুড়ি করে ধুলার মন চুরি
উড়ে যায় ধোয়াটে আকাশে
হাড়-কাপুনি শীত নগ্ন বাতাসে।।

রুপসী সাদা-বক লুকায় হাসি-সারা গায়ে
মেখে মায়াজাল,
চিকচিকে আলো পিঠে নিয়ে স্তব্ধ মহাকাল।।

স্থির সময়,স্থির পথিক,স্তির গাংচিল ডানা মেলে
স্থির অস্থির বাতাসে।।

…………………………………………

06.11.06
মানচুমাহারা

ব্লগং কে আমি কিভাবে/যেভাবে দেখি


এখন অনেক রাত, না ঠিক অনেক রাত নয়, রাত জেগে ভোর এসে হাজির প্রায়। জানালা দিয়ে হালকা কুয়াশা গায়ে ভোর এসে উঁকি দিচ্ছে। হঠাৎ ইচ্ছা হলো ব্লগিং নিয়ে কিছু লিখি। বাংলায় ব্লগিং খুব বেশি দিন শুরু হয়নি। বলা যায় ইউনিকোড চালু হবার পরই বাংলায় ব্লগ লেখা শুরু করেছে অনেকেই। এর আগে ইংলশ ছাড়া উপায় ছিলো না।
আমি প্রথম ব্লগ শব্দটার পরিচিত হই ইয়াহু৩৬০ ব্লগের মাধ্যমে, আমার রুমের প্রাক্তন বড় ভাই দেখিয়েছিলেন এটা। এর পর ব্লগ স্পট, ওয়ার্ড প্রেস ইত্যাদির সাথে সাক্ষাৎ হয়। একদিন প্রথম আলোতে দেখলাম সামহোয়ারের কথা। আগ্রহ একটা নিক খুললাম(সামহোয়ারে আমার এখনকার নিক মানচুমাহারা, আগে অন্য নিক ছিলো)। প্রথমে বুঝতাম না ব্লগে কি লিখে, কি লিখবো, বা কি লেখা উচিৎ। একটা দুইটা লাইন ছড়া মতো লিখে পোস্ট দিই। বেশ মজা, অনেকেই কমেন্ট করে। মাঝে মাঝে কেউ বকুনি দেয় যে চেস্টা করতে কিছু ভালো লেখার জন্য, হাবিজাবি লিখে হোম পেজে জায়গা দখল না করতে। আমি চেস্টা করতাম এরপর আমার সাধ্যমত ভালো লেখার। উল্লেখ্য আমি ভালো লেখক নই। যান্ত্রিকতায় যখন অস্থির হয়ে যাই তখনই পেট থেকে(মাথা নয়, আমি পেটই বলবো) কিছু মিছু লেখা বের হয়, তা খুবই সাধারন।
Continue reading

খন্ডিত সত্ত্বা

আমি প্রতিনিয়ত খন্ডিত হই,
খন্ডিত অংশ গুলো আবার খন্ডিত হয়,তারাও আবার খন্ডিত হয় ।
প্রতিটি খন্ড আমার সত্ত্বাকে বয়ে নিয়ে যায়
ওরা আমার চিন্তা বহন করে,আমার ভাবনা গুলোকে ধারন করে
প্রতিটি খন্ড আমার না মেলানো প্রশ্ন নিয়ে তোমাদের দুয়ারে যায়,
কিছু কিছু আমি আমার কাছে ফিরে আসে !
আমি আমার চিন্তা গুলোকে ফিরে পাই,
ওরা আমাকে আশাবাদী করে তুলে,
আমার আত্মবিশ্বাস দৃঢ় হয়,
কিন্তু কিছু কিছু কালের গর্ভে হারিয়ে যায়!
অনন্ত অসীমের তৃষ্ণায় ওরা ছুটে বেড়ায়,
না পাওয়া প্রশ্নোত্তরের আশায় ওরা ভবঘুরে,
ওরা ভবঘুরে ঈশ্বরের পেছনে ঘুরে বেড়ায়,
আমার ভাবনা চুরি করে ওরা ফেরি করে !!
আমি ওদের আমার ভাবনা গুলোকে ফিরিয়ে দিতে বলি,
ওরা দেয় না,
ওরা ফিরে আসে না,
ওদের ধরতেই ছুটে চলেছে মানচুমাহারা।
…………………………………………………
মানচুমাহারা
১,৮,২০০৬