Category: Software Review

মাইক্রব্লগিং, টুইটার এবং পিজিন, টুইটার প্লাগিন ফর পিজিন

বাংলাদেশ,… দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ভেতর এখন ব্লগিং নিয়ে রীতিমতো বিস্ফোড়ন ঘটে গেছে। বিভিন্ন বাংলা ব্লগিং সাইটে নিজের তথাকথীত ব্লগিং ক্যারিয়ার টিকিয়ে রাখতে অনেকেই হিমশিম খাচ্ছেন এখন। এতো প্যাচালের ভেতর আবার আছে কিছু মাইক্রো ব্লগিং বা স্ট্যাটাস আপডেট এর সাইট। আপনি যাবেন কই। “আপনাকে সোস্যাল বানিয়ে তবে রেহাই দেওয়া হবে” এই মূল মন্ত্র নিয়ে আছে কিছু সোস্যাল নেটওয়ার্ক সাইট। যাই হোক এই পোস্টের উদ্দেশ্য মাইক্রব্লগিং সাইট টুইটার এবং উন্মক্ত মাল্টি ক্লায়েন্ট চ্যাট মেসেঞ্জার পিজিনের ভেতর সম্পর্ক স্থাপনের একটা প্লাগিন নিয়ে। তাই যারা টুইটার এবং পিজিনের চমক থেকে এখনো বঞ্চিত তাদের প্রতি অনুরোধ নিচের লেখাটুকু পড়ার আগে টুইটার ও পিজিনের সাইট থেকে ঘুরে আসুন।

পিজিন থেকেই টুইটারের স্ট্যাটাস পরিবর্তন করা বা মাইক্রব্লগ লেখা যাবে এমন একটা প্লাগিন পেলাম। এটা ফ্রি ও মাল্টিপ্লাটফর্ম সাপোর্ট করে মানে আপনি উইন্ডোজ কিংবা লিনাক্স উভয়ের পিজিনে ব্যবহার করতে পারবেন।

প্লাগিনের নামঃ microblog-purple
ওয়েব সাইটঃ গুগল কোড এর লিঙ্ক
কোড লাইসেন্স: GNU General Public License v3
ডাউনলোডঃ এখানে
Continue reading

Internet Explorer8 beta1

IE8 beta1

For personal net usage I use firefox2. But as I am a web developer I need to check my web application in IE 6 and IE7 too. But a it’s a great agony for the developer to make the web page compatible with ie. I hate IE becasue of it’s bad support of css. At last MS released the IE8 beta1 keeping in mind these issues. Now it suports css2.

There is great tool for developer. Any one can swich to IE7 mode any time. It’s start faster and loads pages faster than before. Java script error is more specific now. check it your

Download : link

Same blog in Bengali:

ব্যক্তিগত ভাবে আমি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার তেমন ব্যবহার করি না। তবে প্রফেশনাল কাজে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে ওয়েবের এপলিকেশন চেক করা প্রথম টাক্স। আর ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এর জন্য বাগ ফিক্স বা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার কম্পেটিবল করার জন্য ওয়েব ডেভেলপারদের অনেক ঘাম ঝরাতে হয় বৈকি। যাইহোক অনলাইন পরিচিত এক বন্ধু আজকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৮ এর বেটা১ এর ডাউনলোড লিঙ্ক দিলো। এটাযে বের হইছে তাই ই জানতাম না। যেকেউ বেটা ভার্সন এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।
আসলে রিভিউ লেখার মতো এখনো ব্যবহার করা হয়নি। ডাউনলোড পেজে গেলেই বুঝতে পারবেন ফিচারগুলো। তবে সামান্য একটু ব্যবহার করার পর যা বুঝতে পারলাম তা এমনঃ
কঃ লোডিং সময় কম
খঃ আগের থেকে পেজ ফাস্টার লোড হচ্ছে।
গঃ ডেভেলপারদের জন্য একটা টুল আছে যা ফায়ারফক্সে একটা প্লাগিন ইনস্টল করলে পাওয়া যেত।
ঘঃ জাভাস্ক্রিপ্ট এর ইরর এখন আগের থেকে বেশি স্পেসিফিক ভাবে দেখায়।
ঙঃ একই সাথে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার৭ ব্যবহারের সুবিধা আছে।
চঃ বিস্তারিত ফিচার এখানে
ছঃ যাদের ইচ্ছা আছে ডাউনলোড করে ব্যবহার করে এখানে ফিডব্যাক দিন।

পুনশ্চ[০] ডেভেলপারদের কাছে ইন্টানেট এক্সপ্লোরার একটা ভয়াবহ ব্যাপার বলে মনে হয়। কারন এর দূর্বল স্টাইলশীট সাপোর্ট। তবে নতুন ভার্সন ক্যাসডেড স্টাইল শীট২(css2) এর ফুল সাপোর্ট দেবে বলে বলে জানাচ্ছে। উইন্ডোজ এর বিভিন্ন ভার্সনের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে ডাউনলোড করতে পারবেন। ওয়েব স্লাইস নামে একটা বিশেষ ফিচার দেখলাম।

Microsoft Office Live Workspace

Microsoft Office Live Workspace

সারা বিশ্বে প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে। আর সেই সাথে প্রতিদিন আসছে ইন্টারনেট ভিত্তিক নিত্যনতুন প্রযুক্তি ও সুযোগ সুবিধা। একসময় ডাটা ট্রান্সফারের জন্য ১.৪৪ মেগাবাইট ধারণ ক্ষমতার ফ্লপি ডিক্স নিয়ে ছুটাছুটি করতাম। আর এখন…বলাই বাহুল্য। কারো যদি ভালো নেট কানেকশন থাকে তাহলে সে ইন্টারনেটেই হার্ডডিস্কের মতো গিগা গিগা জায়গা পেতে পারে বিনামূল্যে। যেমন কেউ ইচ্ছা করলে জিমেইলে ইচ্ছামত আপ্লোড করে রেখে দিতে পারে। আর এই জন্য ডেক্সটপ এপলিকেশনকে ওয়েব সংস্করণে নিয়ে যাবার একটা হিড়িক পড়ে গেছে মনে হয়। সবচেয়ে কাছের উদাহরণ হতে পারে গুগল ডক এন্ড স্প্রেডশীট। এই ঠিকানায় যেয়ে যে কেউ অফিস ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন। ফাইল নিজের গুগল একাউন্টে সংরক্ষণ করতে পারবেন বিনামূল্যে। ইচ্ছা হলে পিডিএফ বানিয়ে নিতে পারেন কিংবা কোন ফাইল শেয়ার দিয়ে অন্য বন্ধুদের সাথে একসাথে সম্পাদনার কাজ করতে পারেন পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে বসে।

যে বিষয়ে ব্যবহারকারীদের আগ্রহ বাড়ে বা লেটেস্ট ট্রেন্ডকে কাভার করার জন্য ইন্টারনেটের জায়ান্ট কম্পানীগুলো সদাব্যস্ত। আর তাই এই দৌড় বসে নেই মাইক্রোসফটও। অবশেষে ৩রা অক্টোবর,২০০৭ মাইক্রসফট শুরু করেছে অনলাইনে অফিস ব্যবস্থাপনার সফটওয়ার বা ওয়েব বেসড অফিস এপ্লিকেশন Microsoft Office Live Workspace
এটা গুগল ডক এর কাছাকাছি তবে ব্যবহার ও ব্যবহারকারী বিষয়ক কিছু বিশেষ সীমাবদ্ধতা আছে। যেমন কোন নির্দিষ্ট একাউন্টের জন্য থাকবে সর্বোচ্চ ২৫০ মেগাবাইট স্পেস বা ১০০০ অফিস ফাইল রাখার সুবিধা।আর Microsoft Office Live Workspace ব্যবহার করার জন্য সিস্টেম রিকোয়ারমেন্টট নিম্নরূপঃ

    * Internet Explorer 6.0 or later on Windows XP, Windows Server 2003 and Windows Vista
    * Firefox 2.0 on Windows XP, Windows Server 2003, and Windows Vista
    * Firefox 2.0 on Mac OS X 10.2.x and later

লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে চলবে কিনা এই ব্যাপারে এখনো কিছু বলা হয় নাই।

যদি Microsoft Office Live Workspace এর বেটা ভার্সন ব্যবহার করতে চান তাহলে এখান থেকে প্রি-রেজিষ্টেশন লিস্টে রেজি করুন।

[প্রিভিউ]গুগল নোল (Google Knol)

গুগল নোল (Google Knol)
======================================

যখনই কিছু খোঁজার দরকার হয় আমরা নিশ্চয় সবার আগে ঢুঁ মারি গুগলে। গুগলের অসংখ্য সার্ভিসের ভেতর গুগল সার্চই অন্যতম। কি আসে না গুগল সার্চে ? আমিতো মাঝে মাঝে ভাবি যদি কোন দিন নিজের বাসার ঠিকানা ভুলে যায় তাহলে রাস্তার পাশের কোন সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে সার্চ দিলে মনে হয় পেয়ে যাব বাসার ঠিকানা…হা হা হা।

গুগল এই যে এতো কিছু সার্চ করে আনে এটা গুগলের ক্রেডিট কিন্তু গুগল রেজাল্টগুলো দেখায় বিভিন্ন সাইটের লিঙ্ক আর কিছু নিজের ক্যাশ, আর্কাইভ থেকে। যেমন যে কোন তথ্যের জন্য অনলাইনে উইকিপিডিয়া হলো অন্যতম। গুগল সার্চে প্রায় দেখা যায় উইকিপিডিয়ার লিংক আগে থাকে। গুগল বট ক্রিপ্ট ব্যবহার করে উইকি সহ প্রায় জনপ্রিয় বেশির ভাগ সাইট (হিট বা গুগল র‌্যাংক এর প্রাধান্য অনুসারে) প্রায় প্রতিদিন ইনডেক্স করে। এখন যদি এমন হয় উইকির মতো সব তথ্য গুগলের নিজের থাকবে তাহলে কেমন হবে ? হ্যাঁ গুগল ঠিক সেই ধরনের একটা কাজ করতে যাচ্ছে। গুগলের একদম সাম্প্রতিক প্রজেক্টের নাম ‘গুগল নোল (Google Knol)’। আমার এই পোস্টের আসল বিষয় বস্তু গুগল নোল নিয়েই।

গুগল নোল কি ?
======================================
নোল হল একটা ফ্রি টুল যার আভিধানিক অর্থ হলো জ্ঞানের একক। গুগল যা করবে তা হলো লেখকদের বিভিন্ন টপিক নিয়ে লেখার জন্য অনুরোধ করবে। এই জন্য গুগল লেখকের নাম উল্লেখ(যা সাধারনত করা
হয়না) সহ তাদের জন্য সম্মানীর ব্যবস্থা করবে। লেখালেখি জনিত কোন কাজ গুগল করবে না তবে লেখা, সম্পাদনা ইত্যাদি করার জন্য সহজ টুল সরবরাহ করবে যার নাম নোল। নোলের তথ্য যে কোন বিষয়ের হতে পারে আর এটি সবাই ব্যবহার করতে পারবে ফ্রি। তথ্যও সবার জন্য হবে উন্মুক্ত।

উইকির মতো নোল কমিউনিটির ব্যবস্থা করবে মানে কোন লেখার উপর মন্তব্য, সম্পাদনা ইত্যাদির ব্যবস্থা থাকবে। উইকির সাথে এর অন্যতম পার্থক্য হবে উইকিতে কোন এড দেওয়া হয় না। কিন্তু নোলে কোন নির্দিষ্ট টপিকে ঐ টপিক সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন দেবে গুগল যার আয় থেকেই একটা অংশ পাবে ঐ টপিকের লেখক। এতে করে একই সাথে লেখকগন ও গুগল উভয়েই উপকৃত হবে।

উইকিপিডিয়া ও গুগলের নোলঃ
=====================================
উইকিপিডিয়া উইকিতে গুগলের এড দিতে রাজি হয়নি। এমনকি সম্প্রতি উইকিপিডিয়া তাদের উইকিয়া (এটা নন প্রফিট নয়) প্রকল্পের মাধ্যমে গুগলের মতো কার্যকরি সার্চ ইঞ্জিন প্রকাশ করতে যাচ্ছে এই মাসেই। অবশ্য এতে গুগলের তেমন কোন ক্ষতি হবে বলে মনে হয় না। তবে গুগল কখনই আগে তার কোন প্রজেক্ট মোটামুটি শেষ হবার আগে ঘোষণা দেয়নি যা এবার দিয়ে এবং এটা যে উইকিপিডিয়ার সাথে

একটা ঠান্ডা যুদ্ধ ঘোষণা তা হয়তো বলা যায়…হা হা হা।
দেখুন উইকিয়া সার্চ কেমন হতে পারে তা নিচের ছবি থেকে।
ছবি

একটা ব্যাপার হলো গুগল সার্চ ইঞ্জিন দিয়ে ব্যবহারকারীকে তখন সন্তুষ্ট করতে পারে যখন সার্চ রেজাল্ট ব্যবহারকারীর যা দরকার তার কাছাকাছি চলে আসে। আর এই কাজে ইউকিপিডিয়ার ভান্ডার গুগলকে দিয়ে আসছে অন্য রকম সহযোগিতা। নোলকে অনেকেই অবিহিত করছেন স্কলারপিডিয়া নামে।

দেখা যাক গুগলের নোল উইকিপিডিয়ার সাথে পাল্লাতে মেতে উঠছে নাকি ভিন্ন ধারার তথ্য ভান্ডার নিয়ে আছে যেখানে এক সাথে সার্ভিস প্রোভাইডার, তথ্য দানকারী, তথ্য অনুসন্ধানকারী সবাই উপকৃত হবে।

বহিঃসংযোগ
নোলের উদাহরণ
গুগলের অফিসিয়াল ব্লগ
উকিয়া সার্চ
গুগল আনঅফিসিয়াল ব্লগ

[Preview]Internet Explorer8 or IE8

মাইক্রোসফট এর ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৭ বা আই.ই.৭ যে কোন ভাবেই ফায়ারফক্সের ধারে কাছে আসতে পারে নাই তা মনে হয় আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এছাড়া গতির দিক দিয়ে ফায়ারফক্স বা অন্য ফ্রি বা ওপেন সোর্স ব্রাউজারগুলো বেশ এগিয়েই আছে। তবে একটা ব্যাপার হলো ব্যবহারকারীর দিক দিয়ে আই.ই. এগিয়ে অনেক বেশি। আর ভার্সন ৭ এর পর নতুন ভার্সনের কাজও তারা শুরু করে দিয়েছেন। নতুন ভার্সনের কোডনেম “Teahupoo” যা পরবর্তীতে IE8 বা Internet Explorer8 নামে আসবে। মাইক্রোসফট ঠিক করেছে প্রতি ১২ বা ১৮ মাসের ভেতর তারা আই.ই. এর নতুন ভার্সন ছাড়বে। সেই হিসাবে হয়তো ২০০৮ এর মাঝামাঝি বা ২০০৯ এর প্রথম দিকে আমরা আই.ই.৮ পেতে যাচ্ছি। আর নতুন এই ভার্সনে নিশ্চয় নতুন অনেক ফিচার আসবে আর সেই সাথে পারফরমেন্স বাড়াবে।
এখন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কি কি আসছে নতুন ভার্সনেঃ

1. Aability to “lock” a page to prevent users from accidentally navigating away from a page.
2. Adding a “Find on Page” capability.
3. Updating the IE rendering engine and Javascript.
4. Improving username/password management.
5. Changing the “mini-address” bar (part of drop-down browser windows) to make it more useful.
6. Lightening up .PNG images.
7. Restoring the “Image Toolbar” provided in earlier IE 7 test builds.
8. Changing the download mechanism, perhaps eliminating the initial download to the “temporary Internet files” folder.
9. Adding easily editable configuration files (similar to Firefox’s userChrome.css and UserContent.css).
10. Enabling draggable tabs from one IE window to another.
11. Supporting themes.
12. Configuring tabs so that each has its own private cookie cache.
13. Introducing new status bar info, possibly with fields such as “last accessed by user” and “window last updated”.
14. Enabling add-ons, such as stocks, movies, etc., a la Mozilla’s Firefox.
15. আরো অনেক কিছু…

Netscape Navigator 9 রিলিজ

ছবি
আজ অনেকদিন পর আবার নেটস্কেপ নেভিগেটর(ইন্টারনেট ব্রাউজার) ডাউনলোড করে ইনস্টল করে দেখলাম। সম্ভবত এটি আগে আই ই এর ইঞ্জিন ব্যবহার করতো। তবে নতুন এই ভার্সন সম্পূর্ন ফায়ারফক্স টেকনোলজির উপর ভিত্তি করে বানানো। আর এ কারনেই ফায়ারফক্স২ এর কম্পেটিবল সব এডঅন এটিতে কাজ করে। কেন এটি ব্যবহার করবেন?
একঃ ফায়ারফক্সের প্রায় সব সুবিধা এখানে পাবেন। সেই সাথে,
দুইঃ নেটস্কেপ নেভিগেটর ৯ এর কিছু বিশেষ ও ইউনিক সুবিধা এখানে পাবেন। নিচে কিছু উল্লেখ করা হলো।
যেকোন টেক্সএরিয়া রিসাইজ করাঃ

অনেক জায়গায় লিখতে গিয়ে দেখা যায় টেক্স এরিয়া বা পোস্ট লেখার জন্য দেওয়া জায়গা খুব কম। নেটস্কেপ ব্যবহার করে এই অসুবিধা দূর করা যাবে। যে কোন টেক্স এরিয়ার ডানে, নিচে ও ডাম-নিচ কর্নারে মাউস দিয়ে ড্রাগ করে টেস্ট এরিয়ার সাইজ ছোট-বড় করা যাবে।< সাইড বার মিনি ব্রাউজারঃ যে কোন লিঙ্ক রাইট ক্লিক করলে নতুন উইন্ডো, নতুন ট্যাবের পাশাপাশি সাইড বারে খোলার অপশন আসবে। সাইড বার ব্রাউজারের বাম পাশে এসে হাজির হয়। সাইড বারে মিনি ব্রাউজার হিসাবে যে কোন লিঙ্ক ব্রাউজ করা যাবে। ক্রিন স্পিটারের সাহায্যে সাইড বার ও মূল উইন্ডো ছোট বড় করা যাবে। রিস্টার্ট করাঃ অনেক সময় এডঅন ইনস্টল করলে তা কাজ করানোর জন্য বা কোন কারণে ক্রাশ করলে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করার অপশন আসে, নেটস্কেপ৯ এ ফাইল মেনু থেকে রিস্টার্ট করার অপশনটি নতুন যা অন্য কোন ব্রাউজারে দেখা যায় না। স্টপ ও রিলোড/রিফ্রেশ বাটন এক সাথেঃ স্টপ ও রিলোড/রিফ্রেশ বাটন এক সাথে থাকায় কিছু জায়গা কম লাগে নেভিগেশন টুল বারে। ইউ আর এল কারেকশনঃ Continue reading

pidgin বা পিজিন (multi-protocol Instant Messaging client)

pidgin বা পিজিন হল উন্মুক্ত সোর্স কোড ভিত্তিক একটি মেসেঞ্জার। এটি দিয়ে এক সাথে একাধিক তাৎক্ষনিক বার্তার নেটওয়ার্কের একাধিক একাউন্টে এক সাথে লগইন করা যায়। বিশেষ করে যারা লিনাক্স ঘরনার অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন তাদের কাছে এটা খুবই পরিচিত। একটা সফট্যয়ার ইনস্টল করেই এক সাথে ইয়াহু, গুগল(জিটক), এম এস এন ইত্যাদিতে চ্যাট করা যায়। পিজিন মূলত জেইম বা GAIM নামে পরিচিত। মূলত লিনাক্সের জন্য তৈরি হলেও এটার উইন্ডোজ ভার্সন পাওয়া যায়।

হয়তো ইয়াহু মেসেঞ্জারের মতো সব সুবিধা না থাকলেও পিজিন অনেক লাইট ওয়েটেড ও কম ব্যন্ড উইডে বেশ ভালো চলে। আর নিয়মিত আপডেট হয় বলে বাগগুলো কিছু দিন পর পর ফিক্স করা করা হয়। পিজিনের সাথে বেশ কিছু প্লাগইন থাকে। সেই সাথে আরো অনেক প্লাগইন পাওয়া যায় যা ইনস্টল করে নিলে আরো বিশেষ কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। পিজিনে এখনো ভিডিও চ্যাট সাপোর্ট করে না। তবে হয়তো একদিন এই সুবিধাও চলে আসবে।

এখন পিজিনের কিছু ফিচার ও ডাউনলোড লিঙ্ক দেখিঃ

যেসকল প্রটোকল সাপোর্ট করেঃ AIM, ICQ, Jabber/XMPP, MSN Messenger, Yahoo!, Bonjour, Gadu-Gadu, IRC, Novell GroupWise Messenger, QQ, Lotus Sametime, SILC, SIMPLE, MySpaceIM, and Zephyr.

প্লাট ফর্মঃ Windows, Linux, BSD, and other Unixes. OS X এর জন্য পিজিনের মতো একটা মেসেঞ্জার আছে নাম। Adium.

ডেভেলপার সাইটঃ developer.pidgin.im

ডাউনলোড করুনঃ

উইন্ডোজ ভার্সন

ফেডোরা ৪,৫,৬ এর জন্য এই ফাইলটা ডাউনলোড করুন। এরপর /etc/yum.repos.d/ ডিরেক্টরিতে সেইভ করুন। এরপর টার্মিনাল থেকে “yum install pidgin” এই কমান্ডটি দিন।ফেডোরা ৭ এর জন্য এখনো বাইনারি ফাইল আসে নাই।

আর তাছাড়া আপনি সোর্স কোড থেকেও কম্পাইল করে নিতে পারেন সহজে।

রেড হ্যাটের জন্য এই লিঙ্ক অনুসরণ করুন।

পিজিন প্লাগইন প্যাকঃ এই লিংক থেকে পিজিনের জন্য অসংখ্য প্লাগইন পাবেন যা ইনস্টল করলে কিছু বিশেষ সুবিধা পাওয়া যায়। এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন আপনার পছন্দের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য প্লাগইন।

পিজিন সম্পর্কিত সব নতুন তথ্য জানার জন্য এখানে দেখুন। আর পিজিনের লিড ডেভেলপার Sean Egan এর ব্লগ দেখুন এখান থেকে

পিজিনের স্মাইলিগুলো পছন্দ না হলে এখান থেকে ইয়াহু ও এমএসএন এর স্মাইলি প্যাক ডাউনলোড করে নিতে পারেন…

ইয়াহু আইডি দিয়ে চ্যাট করে ইয়াহু স্মাইলি আসবে আর এমএসএন আইডিতে এমএসএন স্মাইলি।

স্মাইলি প্যাকটি ইন্সটল করার জন্য পিজিনের Tools>>Preference মেনুতে গিয়ে Smiley Themes ট্যাবে ডাউনলোডকৃত 59794-Original.tar.gz ফাইলটি ড্র্যাগ-ড্রপ করুন*

(*এটি লিনাক্স এবং উইন্ডোজ উভয় ঘরানার অপারেটিং সিস্টেমেই কাজ করে)

কিভাবে জেইম বা পিজিনে ইয়াহু ও গুগল টক ব্যবহার করবেন তা নিচে দেওয়া হলোঃ

For Yahoo:

============

Protocol :yahoo

Screen Name:user name without “@yahoo.com”

Password :yahoo maill account password

Local Alias: Ur name or nick

Yahoo Options

1.Uncheck Yahoo Japan if u r a bd ppl

2.

Keep unchanged except (if u r from bd)

Japan page server:cs.yahoo.co.sg

Japan file transfer server:filetransfer.msg.yahoo.co.sg

3.

Proxy

as given by ISP

For Gmail:

=========

protocol:Jabbar/XMMP

[Note: Jabbar in gaim(old version of pidgin) and xmmp in pidgin]

Screen Name:Username without “@gmail.com”

Server:gmail.com

Resource:Gaim

Password:Gmail accout password

Jabbar Options:

[0]Force Ols SSL

[0]Allow Plaintext Auth over unencrypted streams

Port:5223/2222/443

[Note:

Check which one works in ur net connect.

U can use this command to test: telnet talk.google.com portnumber

replace port number by 2222 or 2223 or 443

]

Connect server:talk.google.com

PRoxy as given by ur isp