Category Post Count in WordPress (Custom Taxonomy with Custom Post Type)

Let me explain my need in short:

I want to show post count for any category/any custom taxonomy registered for any custom post type. I searched wordpress forums and in google, found some solutions using

Nothing helped me such way, so I managed my own way with my little knowledge.

wp_get_productcat_postcount($id, $posttype = ‘product’, $taxname = ‘product_cat’)

$id = category or any taxonomy id(term id)
$posttype = post type name, example: post, page, or any custom post type
$taxname = taxonomy name or any category type name, for joomla default taxonomy it will category, post_tag, nav_menu, link_category, post_format, but we can use any custom taxonomy name as I used ‘product_cat’ which is used with custom post type ‘product’ , post type name.

function wp_get_productcat_postcount($id, $posttype = 'product', $taxname = 'product_cat') {
    
    $result = wp_cache_get( 'taxpostcount'.$id, 'cbtaxpostcount' );
    //var_dump($resul);
    
    if ( false === $result ) {
        
        $args = array(
        'post_type'       => $posttype,
        'post_status'     => 'publish',
        'posts_per_page'  => -1,
        'tax_query' => array(
          'relation' => 'AND',
          array(
            'taxonomy'  => $taxname,
            'field'     => 'id',
            'terms'     => array( $id )
          )
        )
      );



      $query = new WP_Query( $args);
      /*
      echo '<pre>';
      
      print_r($query->post_count);
      echo '</pre>';
      */
      $result = (int)$query->post_count;

      $cacheresult = wp_cache_set( 'taxpostcount'.$id, $result, 'cbtaxpostcount' );
      //var_dump($cacheresult);
    } 
    return $result;        
}

Note: As I used wordpress object cache for better performance.

Thanks for reading, any comment is appreciable.

রিক্সা+চা+মুড়ি(ওয়ালা) এবং আমি

সেদিন কে যেন বলছিল আমরা নাকি কখন কোন রিক্সাওয়ালার চেহারা মনে রাখি না। যদ্দুর মনে পড়ে পল্লব দা(বন্ধুবর পল্লব দা) বলেছিল, আমি তার কথা সায়ও দিয়েছিলাম। কিন্তু গত কয়েকদিন আমি নিজেকে ভুল আবিস্কার করেছি। আমি অন্তত দুইজন রিক্সাওয়ালাকে চিনি যারা আমাকেও চেনে। আজকে একজনকে জ্জিজ্ঞাসা করলাম, আপনাকে আমি আগেও দেখেছি। আপনি কি আমাকে দেখে চিনতে পেরেছেন। সে হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়াল। আমার মনে পড়ছে আমি অনেকজন রিক্সাওয়ালার চেহারা এই মুহুর্তে মনে করতে পারছি যারা আমাকে চিনবে না কিন্তু তাদের আমি দেখলে চিনতে পারব। তাদের কেউ অল্প বয়সে কিংবা খুন খুনে বৃদ্ধ বয়সে রিক্সা চালাচ্ছে। আমি সাধারণত যে রিক্সাওয়ালাকে ভালো মনে করি তার সাথে গল্প জুড়ে দেই। খেসারতও দিতে হয়েছে মানে অতিরিক্ত খাজুরে আলাপ জুড়ে দেওয়ার পর পারিবারিক সমস্যা, ছেলেপুলের লেখাপড়ার কথা বলে কেউ কেউ সাহায্য চেয়েছে এবং আমি মন্ত্রমুগ্ধের মত সাহায্য করেছি। এটাকে কেন খেসারত বল্লাম জানি না, আমি কি তাহলে মন থেকে সাহায্য করিনি। আমি মনে করি করেছি কিন্তু আমার মনের ভেতর একটা সংশয় কাজ করে আর তা হলে এদের কেউ কেউ মিথ্যা বলে আমাকে ঠকিয়েছে। ঠকালেও বা কি আমাকে কত জন ঠকিয়েছে, কত জন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে ওয়েব সাইট বা এপ্লিকেশন এর কাজ করিয়ে তারপর টাকা না দিয়ে ভেগে গেছে। হিসাব করে যোগ করলে তা দিয়ে এখন একটা হাই কনফিগারেশন এর ম্যাক বুক প্রো কিনে ফেলতে পারতাম ! আমি সব সময় জিততে চাই না, তবে মাঝে মাঝে কিছু বিষয়ে আমি জিততে চাই। এটা আমার জিদ না, এটা আমার চাওয়া, মন থেকে চাওয়া। জিদ আর চাওয়া এক নয়। আমি যখন জিদ করে জিতি তখন তার প্রতি পরে আর আগ্রহ নাও থাকতে পারে কিন্তু যখন মন থেকে চায় মানে এই জেতা আসলে মনের বাসনা পূর্ণ হওয়ার থেকেও বেশি। এই ২য় জেতার বিষয়টা অনেক জটিল। প্রথম জেতার বিষয়টা জেতার পর তাচ্ছিল্য চলে আসে, ২য় জেতার বিষয়টা আত্মিক এবং আরো অনেক দায়িত্ব বেড়ে যায়। ভয় হয় ঠিক মত যত্নে রাখতে পারবতো !

আমি শুধু রিক্সাওয়ালা না, আমি অন্তত একজন মুড়িওয়ালাকে চিনি যে আমাকেও চেনে। মাঝে আমি এক সময় প্রতিদিন অফিস থেকে ফেরার সময় পাঁচ টাকা মুরি চানাচুর খেতাম সরিসার তৈল দিয়ে। শীতের সময় সুযোগ পেলে দিন দুই একবার এই কাজ করি। কিন্তু আমি যার কাছ থেকে খেতাম সে প্রতিদিন সন্ধ্যার সময় একটা নির্দিষ্ট জায়গায় দাড়াত আর আমাকে দেখলেই ‘প্রিফরম্যাটে’ মুড়ি বানানো শুরু করত। আমরা মনে হয় চাইলেই একজন মুরি বিক্রেতার মুখ অনেক দিন মনে করতে পারি। আমি অন্তত দুই জন মুড়ি আলার সাথে মোটামুটি সখ্যতা গড়ে তুলেছি এই পর্যন্ত। একজনের সাথে অনেক দিন দেখা হয়না কিন্তু আম নিশ্চিৎ জানি সে আমাকে দেখলেই চিনে ফেলবে।

চা খাওয়া আমার ঠিক নেশা নয় কিন্তু প্রতিদিন ২-১০ কাপ চা আমি খাই। হিসাব করে দেখলাম আমাকে ৫ জন চাওয়ালা কম বেশি চেনে। এরপেছনে কারণ থাকতে পারে আমি মাঝে মাঝে একটা ব্যতিক্রম ভাবে চা চাই, যেমন
১। আদা ছাড়া
২। লতাপাতা ছাড়া, এটা যে আমি ইচ্চা করে বলি তা নয়। আমার কেন যেন প্লেইন রং চা খেতে পছন্দ হয় কিন্তু যে জায়গা গুলোতে রং চার প্রাপ্যতা বেশি সেখানে কেন যেন ওরা রং চা বানানো ভুলে গেছে, চায়ের সাথে আদা, জর্দা, তেজপাতা, লতাপাতা, পান তামুক কত কিছু যে মেশায় !
৩। ঢাকা ইউনির হাকিম চত্তর বা লাইব্রেরীর পেছনে একটা চার দোকান থেকে প্রতিদিনই প্রায় এখন পেপের জুস খাই। ওদের দোকানে অনেকেই বসে তবে একজন আছে আমাকে দেখলেই একটা মিষ্টি করে হাসি দেয় কারণ আমি প্রায় পর পর দুই গ্লাস জুস খাই 😛

আপনি কোন থাকার কথা বলছেন ?

কেমন আছেন এই প্রশ্ন কাউকে করা কি উচিৎ ?
কেউ কেমন আছে তা জেনে আমার কি লাভ কিংবা সে কেন আমাকে জানাবে।
কেন সে মিথ্যা উত্তর দিবে, ভালো আছি।
আচ্ছা মানুষটা যদি উলটো জিজ্ঞাসা করে,
আপনি কোন ‘থাকার’ কথা বলছেন ? তাকে কি উত্তর দেব !

………………………
২৭।০৪।২০১৩, মানচুমাহারা

বিঃ দ্রঃ বন্ধু সুজিত এর সাথে একদিন কথা বলতে বলতে ফন্দি করে ফেললাম কেউ যখন জিজ্ঞাসা করবে কেমন আছি তখন তাকে এই প্রশ্নটা উলটা জিজ্ঞাসা করব, আপনি কোন ‘থাকার’ কথা কইছেন ? অবশ্য আপনজন ছাড়া উলটা প্রশ্ন করলে তাতে লোকসান বই লাভ কিছু হবে না।

Google Plus Comment for WordPress

Google Plus Introduced Social comment plugin(unofficially). so I just made a small shortcode based plugin for wordpress to test the baby.

BTW, I noticed about this from google plus.

Download from bellow:

  Google Plus Comment for Wordpress (1.4 KiB, 754 hits)

Demo:
Please check here .

Shortcode:
[gpluscomment]

For more technical people
'url' => '', // leave empty for current post
'width' => '500',
'js' => 1,
'showarchive' => false,
'showhome' => false

My Test results screenshots:

মনের শরীর

আমি সব সময় ভেবেছি যদি শরীর থেকে মনটা আলাদা করে শিঁকোয় তুলে রাখা যেত।
কিংবা জামা কাপড়ের মত আড়ে ঝুলিয়ে রাখি, রোদে শুকোতে দেই,
ভিজিয়ে রাখি পানিতে কিংবা বাতাসে ছেড়ে দেই উঠে বেড়াক যেখানে খুশি।

বাতাসে ছেড়ে দিলে একটা সমস্যা আছে, ভুল ঠিকানায় উড়ে গিয়ে বাধাবে বিপদ !
পানিতে ভিজিয়ে রাখলে যদি নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়, যদি মাছেরা খেয়ে ফেলে, মাছের মনতো !

আমি মনকে যদি একটা গুঁয়ে মাছির সাথে বেঁধে দেই ? উঠে বেড়াবে বাঁশি পচা নর্দমায় , মজা হত, ঘেন্না হত।

আচ্ছা মন শরীরকে নিয়ন্ত্রন করে নাকি শরীর মনকে, মন খারাপ হলে কি শরীর খারাপ হয়, শরীর খারাপ হলে কি মন খারাপ হয়,
মন কেন খারাপ হয় ? মন কেন ভালো হয় ? শরীর থেকে কি মন আলাদা করে ব্যাংকে জমা রাখা যায় না ?

আচ্ছা শরীরের যেমন মন থাকে, মনের শরীর থাকে না ? থাকা উচিৎ।

আমি অনেক বার ভেবেছি শরীর থেকে কিভাবে মনকে আলাদা করা যায়।
মনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে ঘুরে বেড়াবো। বকা দেব, ভালোবাসব।

………………………… মানচুমাহারা, ২৩।০৪।২০১৩

ভাবালব্ধিঃ কবিতা এবং গান

ভাবালব্ধিঃ কবিতা এবং গান
বিষয়ঃ শব্দ চয়ন

কবিতার ভাষা যত কঠিন হয় মানুষ তত পছন্দ করে কারণ কবিতার কঠিন শব্দ না বুঝলেই লোক জন মনে করে আহা কি দারুন কবিতা। গানের ক্ষেত্রে পুরা ব্যাপারটা আলদা, গানের চরণে যত সহজ শব্দ থাকবে গান তত ভালো লাগে। এটার একটা টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা আছে, কবিতা পড়া হয় ধীরে, কিন্তু গান গাওয়া হয় কবিতার থেকে দ্রুত গতিতে। মাথা/চিন্তার জগৎ দ্রুত কিছু parse করতে গেলে সহজ ভাষা সহজে parse করে, কঠিন শব্দ খাবি খায়।

বিঃ দ্রঃ একান্তই নিজস্ব ভাবনা।

একটি হাস্যকর হাসি !

একজন প্রচন্ড হাসিখুসি মানুষ একদিন খেয়াল করলেন তিনি হাসতে পারছেন না।

তিনি আয়নার সামনে নিজেকে দেখলেন, হাসার চেস্টা করলেন কিন্তু কাজ হচ্ছে না।
তিনি হাসতে পারলেন না, হাসি কোথায় গেল ?

তিনি বাজার থেকে তুখোড় সব হাসির গল্পের বই কিনে আনলেন।
কিন্তু একি ! তিনি পড়ছেন আর আরো বেশি বেশি গম্ভীর হয়ে যাছেন, হাসিতো আসেনা,
ব্যাপারটা হাস্যকর পর্যায়ে যাবার পরও তিনি হাসতে পারছেন না।

…………………

হঠাৎ তার একটা পুরাতন কৌতুক মনে পড়ল, তিনি হো হো করে হেসে দিলেন।

…………… মানচুমাহারা, ১৯।০৪।২০১৩

বিঃ দ্রঃ কি কৌতুক মনে পড়ার পর তিনি হেসে দিলেন এটা আমিও জানি না।

Self Help+Push+Pull = Success

Problem: A man wants to climb a high wall, let see how he can do this 🙂

Step 1: Self Help + Passion + Self Motivation , yes I must do it, I just need to do it 😀

Step 2: Take help from a Friend 1 who can push from land, there may be someone , just search a bit 😛

Step 3: Take help from a Friend 2 who can pull from top of wall, and you are done.

BTW, I tried to help myself with pen & paper to draw the pictures, so don’t laugh if they looks funny 😛

যখন শব্দ আমাকে হারায়

প্রায় সকাল বেলা অফিসে যাওয়ার সময় রিক্সা ঠিক করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ি কারণ মাথায় “কাটাবন ” শব্দটা আসে না। কিছুক্ষন চিন্তা ভাবনা করার পর মনে পড়ে। এটা কিছু কিছু শব্দ মনে রাখার ব্যাপারে ঘটে। আমার ধারণা কিছু শব্দ আমি মনে রাখতে চাই না বা ডিপ মেমোরিতে পৌচ্ছায় না( মেমোরিতে ব্যাড সেক্টরও পরতে পারে) ।

বিঃ দ্রঃ আমার এমন রেকর্ডও আছে যে কাগজে লিখে মানি ব্যাগে রেখে দিছি যদি দরকারের সময় প্রয়োজনীয় শব্দ মনে না পড়ে।

বিঃ দ্রঃ২ একবার ‘দাদা’ শব্দটা মাথায় না আসায় বুদ্ধি করে বলে ফেললাম ‘আরে ঐ যে ভাবীর হাজবেন্ড’ !

Ref: My Facebook Status

চিৎকার

ঠিক যত জোড়ে চিৎকার করলে আমার গলার প্রকোষ্ঠ থেকে-
কন্ঠনালী ছিঁড়ে বেড়িয়ে আসবে তার থেকেও জোড়ে চিৎকার করতে ইচ্ছে করে মাঝে মাঝে।
আমার চিৎকারে আমার কানের তালা লেগে যাবে,
বাঘে মহিষে এক ঘাটে পানি খাওয়ার সময় ঝগড়া বিবাদ ভুলে থর থর করে কাঁপবে।

আমার চিৎকারে মৃত্যু পথযাত্রী মৃত্যু যন্ত্রনা ভুলে ভীমড়ি খেয়ে চেয়ে থাকবে,
আমাজন জঙ্গলের আধা সভ্য মানুষগুলো কিংকর্তব্যবিমূড় হয়ে সভ্যতা থেকে পশ্চাৎপদ হবে।

আমি ঠিক তত জোড়ে চিৎকার করতে চাই যাতে আমি চিরদিনের জন্য আর চিৎকার করতে না পারি,
এই হবে আমার শেষ চিৎকার, আমি এরপর আর কোন শব্দ উচ্চারণ করতে পারবো না।

আমার প্রচন্ড চিৎকারে একজন বোমাবাজ বোমা ছুড়তে ভুলে যাবে, নিজের হাতেই বোমা ফুটিয়ে নিজেই ফুটে যাবে।
আমার প্রচন্ড চিৎকারে নতুন বিবাহিত দম্পতি সারা রাত কানে আঙুল দিয়ে কাটিয়ে দেবে।

আমি এতজোড়ে চিৎকার করব যে পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশের রাষ্ট্রপতি বিরক্ত হয়ে, ক্ষুব্ধ হয়ে বলবে, আহ ওকে থামা, ওর গলা চেপে ধর সাড়াশি দিয়ে।

আমার প্রচন্ড চিৎকারে মঙ্গল গ্রহের নতুন নাম হবে অমঙ্গল, পৃথিবীর সব জাত পাগল পাগলামী ভুলে করুনার দৃষ্টিতে আমার দিকে চেয়ে থাকবে নিষ্পলক। আমি হা হা হু হু শব্দে ভয়ংকর অসুরের মত দিক বিদিক প্রকম্পিত করে চিৎকার করে ডেকে আনবা মহাপ্রলয়।

আমি প্রচন্ড চিৎকারে এই মহাবিশ্বের ইকোসিস্টেমকে ধংস করে দিয়ে শান্তির ঘুম ঘুমাবো। আহ।

……………………………
মানচুমাহারা, ১৭.০৪.২০১৩ ১:১০ AM