Category: Personal

কুকুরের স্বপ্ন

একদিন স্বপ্নে দেখলাম, আমি একটা কুকুরের সাথে ডাস্টবিনের ময়লা থেকে খাবার খুটে খাচ্ছি।

কিছুক্ষন পর দেখলাম পরিচিত অপরিচিত অনেকেই এসে যোগ দিল।

এক সময় খেয়াল করলাম, ঠেলাঠেলিতে বিরক্ত হয়ে কুকুরটি খাওয়া ফেলে চলে গেল। আর এদিকে কেউ কেউ খাওয়া নিয়ে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে বলতে শুরু করেছে এলাকার অমুক ভাই তার আপন চাচা ! খাওয়া বেশি হয়ে যাওয়ায় খেতে খেতেই আমি ঘুমিয়ে পড়লাম।

হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল, খেয়াল করলাম, মুখের উপর সকালের আলো এসে পড়েছে।

//কুকুরের স্বপ্ন (Dreaming on behalf of a Dog)
//০২-০২-২০১৭

চলাচল

//চলাচল

সকাল সন্ধ্যা পথিকের চলাচল
মাঝে মাঝে পথিক ক্ষনিকের জন্য দাঁড়িয়ে যায়,
ডানে তাকায়, বামে তাকায় আবার ডানে তাকায়,
পথিক রাস্তা পার হয়।
পার হয়ে আসা রাস্তার ওপাশ তাকিয়ে পথিক মৃদু হাসে,
পথিকের চলাচল আবার শুরু হয়।

পথিকের চলাচলের সামনে আর পেছন নাই,
পৃথিবী যেহেতু গোল তাই পথিক যে দিক দিয়ে হেঁটে যাবে সেটাই সামনের পথ,
পথ এবং পথিকের পেছনের স্মৃতি বা ভবিষ্যই বলে কিছু নাই !
পথ এবং পথিক উভয়ের জায়গা নতুন পথ কিংবা নতুন পথিক ঠিকই জায়গা করে নেয়।

পথ একা না পথিক একা আমি জানি না, তবে উভয়ের ভেতর চলাচলের সম্পর্কটাই অকৃত্রিম !

~~ 10/04/2015, বক্সিবাজার, ঢাকা ~~

প্রতিমা ভেঙে ফেললে কি মনের ভেতরে যে প্রতিমা লুকিয়ে থাকে তা হারিয়ে যায় ?

স্মৃতিচারণঃ
প্রতিবছর দুর্গাপূজা আসলে মনে এবং শরীরে একটা অন্যরকম অনুভূতি জেগে উঠে। আমাদের বাড়ির সবচেয়ে কাছে যে মন্দিরটি তার আলোক সজ্জা আমাদের বাড়ি থেকে দেখা যেত। ঢাকের বাড়ি যেই শুরু হত মনের ভেতর সুরসুরি কবে ঠাকুর (প্রতিমা) দেখতে বের হব। তখনকার সময়ে বাটা থেকে লাইলন বা প্লাস্টিক সাদা জুতা পাওয়া যেত, সাথে ইংলিশ প্যান্ট(মানে হাফ প্যান্ট) আর একটা ফুলহাতা জামা ছিল প্রতি পূজোর নিদেনপক্ষে চাহিদা। পাশের মন্দিরটা খুব কাছে হওয়াতে প্রতিমা বানানো দেখা আমার জন্য নেশা ছিল। আমি প্রতিদিন স্কুল থেকে এসেই অন্তত একবার ছুটে যেতাম মন্দিরে। প্রথম দিকে খড় আর সুতা দিয়ে বিড়ে বানাতো (প্রাথমিক কাঠামো), এরপর কাঠ বাঁশের পাটাতনের উপর প্রতিমা বসানো হতো। এরপর শুরু হত মাটি আর পানি দিয়ে প্রতিনিয়ত পালিশ। আস্তে আস্তে তৈরি হয়ে যেত সুন্দর প্রতিমা। আমার সবচেয়ে আগ্রহ হত কিভাবে অসুরকে বানানো হচ্ছে, বাঘটা কতখানি হিংস্রমূর্তি ধারণ করছে। প্রতিমার হাতের আঙুল আর মাথা বসানো দেখার ইচ্ছা হত সবচেয়ে বেশি। আর শেষের দিকে পর্দা টানাঙো হতো রং করার সময়। অনেকটা এই রকম যে, পূজা শুরুর দিন সবাই একবারে পোশাক পড়ানো প্রতিমা দেখবে।

প্রতিমা বানানোর প্রতিটা ধাপ, যে পরম মমতা দিয়ে ভাস্করের তৈরি করে তা নিয়ে চিন্তা করতেই অন্য রকম একটা অনুভূতি আসে। এইযে আমি এখন প্রতিদিন অফিসে এসে যেমন এক মনে প্রোগ্রামিং বা কোডিং করি ওরাও সুচালো হাতে নিখুঁত ভাবে তৈরি করে। সেই সময় আমার কাজ ছিল মন্দির থেকে এসেই বাড়িতে বসে ছোট প্রতিমা বা রেপলিকা তৈরি করা। আমিও লেগে যেতাম খড়কুটো নিয়ে। মা মাঝে মাঝে রাগ করত কারণ অদ্ভুত ভাবে এই বাড়ি আগে যাদের ছিল সেই বাড়ির একটা ছেলে নাকি নিজে কালি প্রতিমা বানিয়ে পুজো করত আর একদিন সে আত্মহত্যা করে কি কারণে। তাই আমাকে প্রতিমা বানাতে দেখে মা ভয় পেত। যাই হোক, মার বকা খেয়েও আমি বানাতাম। প্রতিমার জন্য ছোট্ট একটা ঘর আর সেই ঘরের ভেতর আমিও মন্দিরের ভাস্করের মত প্রথমে খড় আর সুতো দিয়ে প্রাথমিক কাঠামো বা বেড়ি, তারপর পানি আর মাটি দিয়ে লেপতে থাকা। আমার সবচেয়ে বড় দূর্বলতা ছিল আমি কোন ভাবেই হাতের আঙুল আর মাথা বানাতে পারতাম না। আমার প্রতিটি প্রতিমার হাতের আঙুলগুলো অসম্ভব বড় হত (মানে রেশিও অনুসারে হত না) আর মাথা বানাতে পারলেও তার চোখ নাক কিছু বুঝা যেত না।

একদিন স্কুল থেকে এসে, দেখি আমার ছোট প্রতিমা আর মন্দির তচনচ। বাড়ির লোকজনের কাছে জিজ্ঞাসা করতে জানতে পারলাম দুইটা কুকুর মারামারি করতে গিয়ে আমার প্রতিমা ভেঙে ফেলেছে। আমি সেকি কান্না। এত কষ্ট পেয়েছিলাম। আজ হঠাৎ মনে পড়ে গেল। আচ্ছা বড় বড় প্রতিমাগুলো যখন কথিত দূর্বৃত্তরা ভেঙে দেয় তখন ঐ ভাস্কররেরা কি মনে অনেক কষ্ট পায় ? আর যে মানুষগুলো একটা বছর অপেক্ষা করে থাকে প্রতিমার মুখ দেখবে তারা যখন মন্দিরে গিয়ে দেখে প্রতিমার মাথা কেউ ভেঙে ফেলেছে তারা কি মনে কষ্ট পায় ? প্রতিমা ভেঙে ফেললে কি মনের ভেতরে যে প্রতিমা লুকিয়ে থাকে তা হারিয়ে যায় ?

পথ চলার গল্প (পুরাতন লেখার সংগ্রহ)

ইন্টারনেটে বাংলা লেখার শুরুর দিকে ইয়াহুর ব্লগ সার্ভিস ইয়াহু৩৬০ তে লিখতাম । সেইদিনগুলোতে পথচলার গল্প নিয়ে লিখতাম যা পরে প্রজন্ম ফোরাম এবং সামহোয়ার ব্লগে লিখেছিলাম। আজকে হঠাৎ মনে পড়ে গেল। আর লেখাগুলো যাতে হারিয়ে না যায় কোন ভাবে তাই এখন নিজের ব্লগেই আর্কাইভ করার চেস্টা করছি।

পথে পথে ,মানচুমাহারার পথ চলা-১

বিকাল আসলে আমার ভেতর একটা অস্থিরতা তৈরি হয় মনে হয় কখন বের হব রাস্তায়,মুক্ত হাওয়ায় কখন ঘুরে বেড়াবো।প্রায় প্রতিদিনই আমি বিকালে ১/২ ঘন্টার জন্য রাস্তা ঘাটে হাঁটি।এটা এখন আমার অভ্যাস হয়ে গেছে মনে হচ্ছে।বেশির ভাগ দিনেই একাই হাঁটি কারন মাঝে মাঝে ২/১ বন্ধুকে বললে রাজি হয়।একা তো কি হইছে পথে কতো মানুষ !
শুধু যে পথে হেঁটেই চলি তা ঠিক নয়।প্রায়ই পথের প্রেমে পড়ে যায়।আর প্রতিদিনই নিজেকে পথের মাঝে নতুন করে আবিস্কার করি।নিজের মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হিসাবে আমি এই সময়টাকে বেছে নিয়েছি…।
প্রতিদিন নতুন নতুন অভিজ্ঞতা হয়।ভাবছি মাঝে মাঝে আমার পথের আনন্দ-দুঃখ গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
আমি বেশ খামখেয়ালী,আবার কখনো সিরিয়াস।একদিন রিক্সার ঘুরবো ভাবলাম।এক রিক্সাওয়ালাকে বললাম ভাই যাবেন।সে রাজি হলো ভাড়া চাইলো ২০ টাকা।আমি বললাম ঐখানে ভাড়া ১৫ টাকার বেশি হয় না।ঠিক আছে আমি আপনাকে ১৮ টাকা দেবো।সে আমাকে বেশ তুচ্ছ করে বললো ২ টাকা আবার কোন ব্যাপার নাকি।আমার কথাতা বেশ খারাপ লাগলো।আমি বললাম ২টাকা আপনার কাছে কোন ব্যাপার না।আমি যত দূর জানি দিন মজুর কিংবা খেটে খাওয়া মানুষের ২ টাকা আয় করতেই গায়ের ঘাম ঝরাতে হয়।আমি তাকে বললাম ঠিক আছে,”আপনার কাছে তো ২ টাকা কোন ব্যাপার না,তাহলে আমারে ২ টা টাকা দেন”, সে আশেপাশের রিক্সাওয়ালাদের মুখের দিকে তাকিয়ে আমাকে পকেট থেকে ২ টাকা বের করে দিলো।আমি ঐ ২ টাকা আমার নিজের পকেটে রেখে আমার গন্তব্যের দিকে আবার পায়ে হেঁটেই চলা শুরু করলাম।মাঝে মাঝে একবার পেছেন ফিরে চেয়ে দেখালাম ঐ রিক্সাওয়ালা আমার দিকে করুন দৃষ্টুতে চেয়ে আছে।
আমি জানি না আমি পাপ করেছিলাম না ঠিক করেছিলাম।আমি সেই দিন ঐ ২ টাকা নিয়ে চলে এসেছিলাম পৃথিবীর সব খেটে খাওয়া মানুষকে শ্রদ্ধা জানাতে।আজ এই টুকুই …।
“আমি আজন্ম ভবঘুরে,
মৃত্যুহীন পথিক ।
একদিন তুই ও এই পথে আসবি কিন্তু
সেই দিন পথিক থাকবে না।।”

Continue reading

Random and discrete 7 things about me

….no I will not write…I will break the chain….etc….I was not in me that day… Hasin vai said,”…grrr….”. ….Now feeling cool and….Ok here something about me but I will not tag any one …mu ha ha.

  • I am little bit crazy type from my childhood.
  • I don’t smoke ..I mean the nasty cigs.
  • I like ice-cream and to walk alone.
  • I am honest with myself and I like to say what I believe.
  • I am workholic and fun loving. I have passed so many hrs with depression and hope to pass in future. I like to live and reborn. I like to start again when I loose all hope :). That’s the manchumahara in me.
  • Sometimes I watch porn/adult movies to retrieve concentration.
  • I think, I feel some one specially.

These are discrete random 7 things about me.

আমাদের প্রযুক্তি’র প্রথম জন্মদিন…পথচলার এক বছর

প্রযুক্তির সবকিছু চাই বাংলায়…’ এই লক্ষ্য নিয়ে আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে ৯ সেপ্টেম্বর অন্তর্জালে জন্ম হয়েছিলো আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিশ্বের প্রথম অনলাইন ফোরাম ‘আমাদের প্রযুক্তি’। তাই আমাদের প্রযুক্তি’র প্রথম জন্মদিনে আমাদের প্রযুক্তি’র সকল নিয়মিত সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা। বিস্তারিত এখানে

Left Grameensolution LTD. | Again a free life !!!

Just left Grameensolutions LTD. on 31st July. I was working there as an associate software engineer in web development( PHP+MYSQL mainly in Joomla CMS). I joined there 21st January and 31st July was my last day in office. I haved passed so many enjoyable days with my team mates like Shouman vaiya (Excellent Team Leader), Saifur vai( Helped me much), Zaman Sarker ( Koolest man in our web section), Mamun vai ( Exceptional web designer), Noman vai ( Known as DOC vaiya and always “khal kete kumir ante chai :P”), Billah vai (Helped me lot to learn new things), Shobuz vai (Nice guy), Harun vai ( Hope he will bring a sweet vabi soon !!!), Delowar vai, Akhi apu, Ratul( always in pressure with so much personal projects) and so many lovely friends. I am sorry I forget to mention someone. All of them were are really friendly. I will miss all. Hope I will start a new journey in somewhere else after 6 months. For some days a free life for the Manchumahara…..

Good bye GSL….