Fat Free Resume Preparation Tips for IT Jobs

একজন রিক্রুটার গড় পড়তা একটা রিজিউম দেখার জন্য ৩০ – ৬০ সেকেন্ড সময় দেন। এই ৬০ সেকেন্ড এর ভেতর তিনি সিদ্ধান্ত নেন আরো একবার তিনি রিজিউমটা পড়বেন কিনা। তার মানে আপনার রিজিউম যত ছোট তত দ্রুত পড়া শেষ হবে এবং ২য় বার পড়ার সুযোগ বেশি তৈরি করবে। সিভি এবং রিজিউমের ভেতরও পার্থক্য আছে। আজকে বেশ কিছু পরামর্শ দেওয়ার চেস্টা করব আর সেই সাথে কিভাবে “Fat Free Resume” তৈরি করা যায় তা ধাপে ধাপে লেখার চেস্টা করব।

CV – long, covers your entire career, static
Resume – short, no particular format rule, highly customizable

আমি সাজেশন দেব, রিজিউম পাঠাবেন, সিভি না। চাইলে দুইটা ফাইল বানাতে পারেন, আগে রিজিউম, এরপর সিভি এটাচ করুন।

অনেকে বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা লিখেন। যদি একটু চিন্তা করেন আপনাকে হায়ার করার আগে এটা কারো জানা কতখানি জরুরী ? বড় জোর আপনার নামের নিচে বর্তমান ঠিকানা সংক্ষেপে লিখতে পারেন। যেমন

Mr. Xyz Abc
Kataban, Dhaka -1205

যদি দরকার হয়, আপনার কাছ থেকে ডিটেইল জেনে নিবে বা ইন্টারভিউতে প্রশ্ন করবে।

অনেকে শিক্ষাগত যোগ্যতায় SSC, HSC, Hons, Masters (if) সব গুলো ডিটেইলস লিখেন। ডিটেইলস মানে কত সালে পাশ, সিজিপিএ ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি সাজেশন দেব, শুধু শেষ দুইটা লিখুন। যদি Hons পর্যন্ত হয় শেষটা ডিটেইলস লিখুন আর তার আগের টা সংক্ষেপে। আপনি কোন স্কুলে বা কলেজে পড়েছেন আইটি চাকরির জবে এটা জানা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়, দরকার হলে জেনে নিবে।

অনেকে রেফারেন্স লিখেন শেষে প্রায় দুই বা তিন জনের। আমি সাজেশন দিব বড় জোড়, আপনার থিসিস স্যার বা এডভাইজার স্যার এর নাম লিখুন। খুব কম ক্ষেত্রেই এই গুলো যাচাই করা হয়।

অনেকে অন্যকে দিয়ে রিজুম লেখিয়ে নেয় বা অন্যের রিজিম থেকে দেখে দেখে কপি করে, এটা করবেন না। আপনি এর চেয়ে অনেক কঠিন কাজ করতে পারেন, রিজিউম লেখিয়ে নেওয়া শুধুমাত্র অলসতা ছাড়া আর কিছু না, আপনি ফরম্যাট দেখতে পারেন অন্যের থেকে।

ফ্রেসারদের যদি কোন এক্সপেরিয়েন্স না থাকে (থাকার কথা না কিন্তু এরপরেও যারা এক্টিভ তারা ছাত্রজীবনেও টুক টাক পার্ট টাইম জব করেন না ফ্রিল্যান্স করেন, এটা করতে হবেই তা আমি বলছি না) তাহলে স্কিল যত বেশি সহজ এবং পরিস্কার করে লিখুন।

এমন অর্ডারে লিখতে পারেন (সেকশন গুলো)

১। বামে নাম এবং সংক্ষিপ্ত ঠিকানা, ডানে ছবি
২। ৩/৪ লাইন ক্যারিয়ার অব্জেক্টিভ (আপনি সুপারম্যান এই রকম কিছু লিখবেন না)
৩। স্কিল সেট (অনেকে আগেই এডুকেশন লিখেন, আমি সাজেক্ট করব এটা পরে লিখেন)
৪। এক্সপেরিয়েন্স যদি থাকে তাহলে স্কিলের পরে
৫। এখন এডুকেশন
৬। রেফারেন্স দিতে পারেন নাও দিতে পারেন

যদি এক পাতাতে হয় তাহলে ভালো না হলে সর্বোচ্চ দুই পাতা

আপনার একটা ব্যক্তিগত ওয়েব সাইট থাকা ভালো, এক হাজার টাকায় ডোমেইন পাওয়া যায় এক বছরের জন্য। ফ্রি হোস্টিং হিসাবে ওয়ার্ডপ্রেস , গিটহাব ব্যবহার করা যায়। নিজের একটা পোর্টফোলিও সাইট আর সেই সাথে আপনি যা রেগুলার শিখছেন সেই গুলো নিয়ে পরিস্কার বাংলা বা পরিস্কার ইংলিশে রেগুলার লিখুন।

আপনার ব্যক্তিগত ভাবে করা প্রজেক্ট গুলো গিটহাবে শেয়ার করুন। কেউ শুধুমাত্র গিটহাবে আপ্লোড করেই ক্লান্ত বোধ করে কেউ কেউ প্রজেক্ট এর ডেসক্রিপশন লিখে, যেহেতু প্রজেক্ট রান না করে কার্যকারিতা এবং দেখতে কেমন তা বুঝা যায় না তাই পারলে কিছু স্ক্রিনশট দিয়ে রাখুন। ডিজাইন ফোকাসড ক্যারিয়ার হলে ড্রিব্বল, বিহ্যান্স এই ধরনের সাইটে নিজের পোর্টফোলিও তৈরি করুন।

লিঙ্কডইনে নিজের একাউন্ট খুলুন এবং সকল তথ্য পূরন করুন, লিঙ্কডইন প্রোফাইলের লিঙ্ক, গিটহাব বা এই ধরনের সাইট এর লিঙ্ক রিজিউমে অন্তর্ভুক্ত করুন।

বাংলিশ কোথাও কোন প্রফেশনাল কাজে ব্যবহার করবেন না। আমি বলব, আপনি কোথাও ব্যবহার করবেন না।

রিজিউম ইমেইল করবেন পিডিএফ ফরম্যাটে, ফাইলে নিজের নাম দিতে পারেন, ফাইলের নাম সব লোয়ার কেস, নামের ভেতর স্পেস থাকতেই পারে তাই তা আন্ডারস্কোর দিয়ে রিপ্লেস করুন, যেমন xyz_abc.pdf। ব্রাউজার থেকে জিমেইল বা এই ধরনের ইমেইল ক্লায়েন্ট দিয়ে ডাউনলোড না করেই পিডিএফ পড়া যায়।

রিজিউমে লাল, নীল, সবুজ ইত্যাদি রং এর লেখা না দেওয়া উচিৎ।

রিজিউম হচ্ছে আপনার বিজ্ঞাপন, নিজের সহজ এবং সংক্ষিপ্ত প্রকাশ।

আমার সব পরামর্শের সাথে বিজ্ঞজনেরা একমত না হতেও পারেন তবে পরামর্শ গুলো মেনে যদি রিজিউম পরিবর্তন বা নতুন করে লিখেন আশা করি আপনি লাভবান হবেন।

যারা লেখা পড়ার সাথে সাথে আজকেই রিজিউম ফ্যাট ফ্রি করার চেস্টা করবে তারা আগামীকাল যারা করবে তাদের থেকে একদিন এগিয়ে থাকবে।

আমাকে লিঙ্কডইন এবং টুইটারে ফলো করতে পারেন.

Find this article english version in medium and linkedin.

Image credit undraw.co

বুদবুদ

আমিতো ঘুমে ডুবে ছিলাম,
স্বপ্নে যখন বুদবুদ ছাড়লাম
ঠিক – ঠিক তখনি তুমি বুঝলে আমার খিদে পেয়েছে!

For the Sake of Bloody Story!

সিনেমায় ধর্ষনের দৃশ্য রসিয়ে রসিয়ে কেন দেখানো হয়? এই প্রশ্নের উত্তর সবাইকে খুঁজতে হবে। সিনেমায় ধর্ষনের দৃশ্য দেখানো বন্ধ করতে হবে। অবশ্যই এই ধরনের ঘটনা বুঝানোর জন্য বিকল্প উপায় বের করা যেতেই পারে এবং তা খুব বেশি কঠিন নয়।

অফিস থেকে বাসায় ফিরে টিভি দেখছিলাম, চ্যানেলের নাম মনে নেই, রিমোট চাপতে চাপতে সামনে যা আসে টুকটাক দেখি। জাতীয় চলচিত্র পুরস্কার এর প্রস্তুতি নিয়ে একটা টিভি প্রতিবেদনে এফডিসি গিয়ে টিভি সাংবাদিক বেশ কয়েকজনের ছোট ছোট মন্তব্য নিলেন। এক নায়িকা বার বার জোর দিয়ে বলল, অবশ্যই যেন ভালো ভালো গল্প লেখা হয় এবং সেই গল্পে সিনেমা তৈরি হয়। বিষয়টা আমাকে বেশ ভাবালো। চিন্তা করে দেখলাম গল্পের প্রয়োজনে সাহসী শট গুলো নায়িকাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় অথচ গল্পটা সিনেমা সংশ্লীষ্ট কেউ না কেউ লেখে। এই বিষয়টা নিয়ে আমার মাথায় একটা দুষ্টু গল্প এসে হাজির হয়েছিল কিছুদিন আগে যা আমার এক বন্ধুর সাথে শেয়ার করেছিলাম যদি এটা দিয়ে একটা শর্টফিল্ম বানানো যায়। দেখি সময় সুযোগ পেলে আমিই বানাবো। তাহলে গল্পটা বলি।

গল্পঃ
নতুন একটা সিনেমা রিলিজ হয়েছে আর তা নিয়ে হৈচৈ পড়ে গেছে। রেডিও, টিভি, ফেসবুক সব জায়গায় বিরাট আলোচনা চলছে সিনেমার একটা দৃশ্য নিয়ে।

পরিচালক বিভিন্ন মাধ্যমে বক্তব্যে বলছেন, ” এটা আর্ট হিসাবে নিতে হবে, আর তা ছাড়া গল্পের প্রয়োজনে এই রকম কিছু হলে ক্ষতি কি? আমরাতো মানুষের জীবনের গল্পই দেখাচ্ছি … ”

নায়ক আর এক কাঠি সরেস, ” হ্যাঁ দৃশ্যটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল, নায়িকা বেশ হেল্প করেছে আমাকে আর আমি চেষ্টা করেছি পুরাটা দেবার জন্য … ”

নায়িকা বরাবরের মত, ” গল্পের প্রয়োজনে এই রকম সাহসী শটতো দিতে হয়। আমার পরিবার সব সময় আমার পাশে থাকে তাই গল্পের প্রয়োজনে যে কোন ধরনের অভিনয় করতে আমার কোন ভয় লাগে না। আমার হাজব্যান্ড এই ব্যাপারে আমার প্রতি বেশি সাপোর্টিভ … ”

প্রযোজক এড়িয়ে গেলেন, ” আমি এখনো সিনেমাটা দেখার সুযোগ পাইনি, আশা করি সব সমালোচনা পেছনে ফেলে সিনেমাটা দর্শকের মন জয় করতে পারবে … ”

অবশেষে অনেক খুঁজে বের করা হল সিনেমার গল্প যিনি লিখেছেন মানে কাহিনীকার। তার বক্তব্য, “আমিতো লিখেছিলাম বিদ্যুৎ না থাকায় লিফট বন্ধ ছিল , নায়ক নায়িকা সিড়ি বেয়ে হেঁটে উঠে ৬ তলায়, বাসায় ঢুকেই দুইজনের শ্বাসপ্রশ্বাস ঘন হয়ে আসে … ! ”

ধন্যবাদ

ফেসবুক ভিত্তিক ব্যবসা আর ফুটপাথের ব্যবসার ভেতর তেমন কোন পার্থক্য নাই

ফেসবুক ভিত্তিক ব্যবসা আর ফুটপাথের ব্যবসার ভেতর তেমন কোন পার্থক্য নাই। প্রথম লাইন পড়েই যারা ফেসবুকে ভিত্তিক ব্যবসা করেন তারা আমার উপর বিরাট খেপে যাবেন, মুখে গালি আসবে, অভদ্রতার খাতিরে সেই গালি দিয়েও দিতে পারেন। মাঝে মাঝে যখন ফুটপাথ থেকে হকার উচ্ছেদ হয় তখন হকাররা হাই হাই শুরু করে, বিকল্প ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ মানি না, মানবা স্লোগান দেয় অথচ ফুটপাথে ব্যবসাই অবৈধ। অবৈধ ব্যবসা তুলে দেওয়ার বৈধতা না মানাও অবৈধ কার্যক্রম। ফুটপাথে বাদাম ফুট বেচা সাময়িক বা ভ্রাম্যমান ব্যবসা হতে পারে।

প্রায় ৭/৮ মাস ধরে ফেসবকে Slovakia, Cambodia, Guatemala সহ আর কিছু দেশে ব্যক্তগত প্রোফাইলে বিজনেস পেজের আপডেট দেখাচ্ছে না। ফলাফল স্বরূপ প্রায় ৮০-৯০ ভাগ ভিজিটর কমে গেছে। ঐদেশ গুলোতে একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে টাকা দিয়ে বিজ্ঞাপন দিলেই শুধুমাত্র কোন পেজের সেই পোস্ট ব্যক্তিপ্রোফাইলে দেখাবে।

গত দুই বছরে দেশে ব্যাঙের ছাতার মত ফেসবুকে কমার্স শুরু করছে অনেকে, কেউ কেউ ভালো ব্যবসা করতেছে কিন্তু সামনে যখন বাংলাদেশেও ফেসবুকের নিউজ ফিডের পরিবর্তন আসবে এই ব্যবসা ঠিকবে না বার ফেসবুক থেকে হকার উচ্ছেদ এর মত ঘটনা ঘটবে। হাবিজাবি ২৪ নিউজ গুলোও ধাক্কা খাবে যাদের একমাত্র ট্রাফিক ফেসবুক এবং একমাত্র আয় গুগল এডসেন্স আর নিউজের একমাত্র সোর্স প্রতিষ্ঠিত নিউজ সাইট থেকে নিউজ কপি করে পেষ্ট করা।

ফেসবুক আসার আগে দেশীয় সাইট গুলোর একটা অর্গানিক থ্রোথ ছিল। দেশীয় একটা সাইট থেকে অন্য সাইটে যেত অনেকে। দেশিয় সাইটে ট্রাফিক আনার এখন একমাত্র সহজ লভ্য মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক, অন্য উপায় গুলোর অনেক খরচ যেমন রেডিও, টিভি, পেপার কাগুজে কপিতে বিজ্ঞাপন, বিলবোর্ড ইত্যাদি। ফেসবুক যদি তাদের নিউজ ফিডে পরিবর্তন করে তাহলে দেশীয় সাইট গুলোর মার্কেটিং নিয়ে যারা কাজ করে তাদের অবশ্যই নড়েচড়ে বসতে হবে।

এখনি সময় ফেসবুকের বিকল্প চিন্তা করতে। প্রয়োজনে ফেসবুক বা এই রকম যে সাইট গুলো আমদের নিজেদের ইকো সিস্টেমে অনেক বেশি প্রভাব ফেলছে সেই গুলো আগামি ৫ বছরের জন্য বন্ধ রাখা। এতে করে অনলাইন বেসড বিজনেস এর সঠিক ভাবে বেড়ে ওঠা নিশ্চিৎ করা যাবে।

Introduction to Joomla! – Event invitiation – Joomla User Group Dhaka, Bangaldesh

From Joomla User Group Dhaka we are trying to introduce Joomla! to the community. As part of this initiative, we started a series of Joomla introduction events at different universities. This first event venue is selected as Joomshaper office, we hope next events will be arranged at any university if we get venue permission.

Venue: JoomShaper
Date: 27 January, 2018
Time: 3.00 PM – 6.00 PM

Join the event and let’s talk, discuss, learn about Joomla!

ভাই ঘুষি যখন মারবেন তখন একটু আস্তে মাইরেন

ধরুন একটা গুন্ডা টাইপ লোক, যাকে আপনি কোন ভাবেই বুঝাতে পারছেন না এবং সে আপনাকে ঘুষি দিবেই। এই পরিস্থিতিতে আপনি যদি গুন্ডা মানুষকে বলতে পারেন, ভাই ঘুষি যখন মারবেন তখন একটু আস্তে মাইরেন।

যদি আপনার কথা শুনে হেসে ফেলে তাহলে নিশ্চিত আপনি ঘুষি থেকে মুক্তি পাবেন। যদি তাও না হয় সে লজ্জা পেয়ে আস্তেই ঘুষি দিবে। এবং আপনি তাকে এটা মানতে বাধ্য করছেন যে লোকটা ঘুষিখোর।

এখন একজন গুন্ডা ঘুষিখোরের যদি আপনি আত্মসম্মান বাড়াতে পারেন তাহলে কেল্লা ফতে।

অবশ্য অতীত ইতিহাস যা বলে, মানুষের আত্মসম্মান বাড়ানো খুব কঠিন কাজ। একবার দেশে আলোচিত একটা ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছিল। যেখানে মা বলেছিল, বাবা আমার মেয়েটা খুব ছোট তোমরা একজন একজন করে আসো। যদি ধর্ষন ইচ্ছুক বা ধর্ষকদের সামান্যতম আত্মসম্মান বোধ থাকত তাহলে এই কথা শুনে তাদের মুখ নিচু করে চলে যাবার কথা ছিল।

তাই অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, ভাই আস্তে ঘুষি মাইরেন এটা বলেও ঘুষি মারা থামানো যাবে না।

কিছুদিন সময় দিলে অনলাইন কোচিং আর লোকাল কোচিং মাঝামাঝি জায়গায় এসে হ্যান্ডশেক করবে

যদি লোকাল কোচিং সেন্টার গুলো ২ ঘন্টা বা ১০ ঘন্টা স্কুল নামে অনলাইন লার্নিং সাইট খুলে তাহলে এদের হোয়াইট লিস্ট করে নিবেন? কেন জিজ্ঞাসা করছি কারণ কোচিং সেন্টার এর বিজনেসকে ভালো চোখে দেখে না অনেকে। লোকাল কোচিং সেন্টারগুলোর কিন্তু নলেজ বেস রেডি, শুধু তাদের দরকার ভিডিও লেকচার রেকর্ড করা এবং তারা প্রতিদিন এতো বেশি ক্লাস নেয় যে দুই একদিন প্রাকটিস করলেই যে কোন ক্লাস পুরাটা ভিডিও করলে অনলাইন লেকচার হিসাবে চালিয়ে দিতে পারবে। এরপর এরা ২ ঘন্টার ক্লাস থেকে ১০ মিনিটের মিনি ভিডিও বানিয়ে ফ্রি দিবে, এর পুরাটা দেখতে হলে টাকা লাগবে। অন্য দিকে যারা ১০ মিনিটের ভিডিও বানাচ্ছে তারা কিছুদিন পর দুই ঘন্টার ভিডিওর জন্য টাকা চাইবে।

এরপরের দিন দুইজন শিক্ষিত ব্যক্তি আসলেন একইভাবে ধান খেতের আইল ধরে

নড়াইল জেলায় একজন কবি ছিলেন(উনি মারা গেছেন) নাম বিপিন সরকার। উনি স্বভাব কবি বিপিন সরকার নামে পরিচিত। আমাদের বাড়ির পাশে রহমান চাচা ছিলেন। উনি শেষ বয়সে সময় কাটানোর জন্য একটা ছোট মুদি দোকান রাস্তার পাশে চালাতেন, বসে থাকতেন, বই পড়তেন এই রকম। আমি মাঝে মাঝে উনার দোকানে গিয়ে উনার সাথে গল্প করলাম। তখন হাই স্কুলে পড়ি না হলে প্রাইমারি। আমি এলাকার মুরুব্বী আরো একজনের সাথে মিশতাম , উনি জলিল চাচা। তার কাছ থেকে দাবা খেলা শিখেছিলাম। জলিল চাচা সময় কাটানোর জন্যই দাবা খেলতেন। যাই হোক, একদিন রহমান চাচার দোকানে বসে আছি, দেখি উনি একটা খাতা থেকে কিছু পড়ছেন, হাতে লেখা কিছু। জিজ্ঞাসা করলে বল্লেন, এটা স্বভাব কবি বিপিন সরকারের কবিতার একটা খাতা, উনাকে পড়ার জন্য দিয়েছেন। সেই দিন উনি বেশ কিছু কবিতা আমাকে শোনালেন যার একটা কবিতার অর্থ আমার এখনো মনে আছে।

কবিতা বা ছড়াটা ছিল ধান খেতের আইল নিয়ে, যারা ধান খেতে গিয়েছেন দেখবেন পাশাপাশি দুইটি জমি ভেতর সরু একটা পা দেওয়ার মত করে আইল বা রাস্তা তৈরি থাকে। এই আইলের উপর দিয়ে একজন মানুষই হাঁটা কষ্টকর হয়ে যায়, দুইজন যেতে গেলে ঝুঁকি থাকে। কবিতাটাতো মনে নেই তবে ভাবার্থ এই রকম যে, দুই ডাকাত ধান খেতের আইল দিয়ে হাটতে হাটতে সামনা সামনি পড়ছে, কেউ কারে রাস্তা ছাড়ে না। শেষ পর্যন্ত হাতাহাতি, মারামারি, সেই মারামারিতে দুই ডাকাতের তাদের স্ব স্ব গ্রামের লোকের অংশ গ্রহন(একে গ্রাম্য ভাষায় বলে কাইয্যা বা কায্যে) বিরাট হুলুস্থুল ব্যাপার।

এরপরের দিন দুইজন শিক্ষিত ব্যক্তি আসলেন একইভাবে ধান খেতের আইল ধরে সামনাসামনি। তারা উভয় উভয়কে যাওয়ার যায়গা দিতে গিয়ে দুইজনই আইল থেকে নেমে ধান খেতের কাঁদার ভেতর নেমে গেলে, দুজন দুজনকে সালাম দিয়ে চলে গেলেন।

জলিল চাচা চলে গেছেন অনেক আগে যার সাথে দাবা খেলতাম, আমার যদি ভুল না হয় রহমান চাচাও নাই এখন। তবে সেইদিন তার দোকানে বসে স্বভাব কবি বিপিন সরকারের যে কবিতা শুনেছিলাম তারই প্রতিফলন পেলাম সাম্প্রতিক লক্ষীপুরের একজন এডিসি এবং সাবেক সিভিল সার্জন এর কে পথ ছাড়বে সেইটা নিয়ে ঝগড়া থেকে হাতাহাতি, জেল জরিমানা ইত্যাদি নিউজ পড়ে। তবে বিপিন সরকারের কবিতার ডাকাত আর শিক্ষিত ব্যক্তি এখানে মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছে।

বিপিন সরকার বেঁচে থাকলে এই কবিতা পুনরায় লিখতেন এটা আমরা আশা করতেই পারি।

First Time Became WordPress Core Contributor

একটা ফাংশনে একটা অতিরিক্ত প্যারামিটার যুক্ত করে হয়ে গেলাম ওয়ার্ডপ্রেস 4.9 এর কোর কন্ট্রিবিউটার 🙂

আমি অবশ্যই বলতে চাই ওয়ার্ডপ্রেস এর কোর কমিটাররা খুবই আন্তরিক এবং হেল্পফুল। অন্তত আপনি কোন ইস্যু পোস্ট করলে দ্রুত উত্তর পাবেন, কোন প্যাচ পাঠালে দ্রুত যাচাই করে। অন্যরা যারা কোর কমিটার না কিন্তু রেগুলার ইস্যু গুলোতে কন্ট্রিবিউট করে তারা আপনাকে সাহায্য করবে।

যে কেউ https://core.trac.wordpress.org/ এখানে গিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস এর কোরের কোন বাগ পেলে ইস্যু সাবমিট করতে পারেন। যদি আপনি জানেন ফিক্স করার জন্য কি ধরনের কোড পরিবর্তন দরকার তাহলে তা করে প্যাচ আকারে সাবমিট করতে হবে।

অনেক সময় যখন আপনি কাস্টম কিছু বানাচ্ছেন হয়তো দেখছেন কোর কোডে নতুন কোন হুক যুক্ত হলে সুবিধা হবে বা কোন হুকে নতুন একটা প্যারামিটার থাকা যুক্তিযুক্ত আপনি সেই পরিবর্তন করে প্যাচ সাবমিট করতে পারেন। গ্রহনযোগ্য যে কোন কিছু খুব যত্নের সাথে ওয়ার্ডপ্রেস এক্সেপ্ট করে এবং বিষয়টা দ্রুত। আপনাকে কোন পেইন এর ভেতর দিয়ে যেতে হবে না এবং মনে হবে না যে কেউ আপনার রেকয়েস্ট নজরেই আনছে না।