সেই বিশাল আম, কাঠাঁলচাঁপা আর হিউম্যান ডাং :P

আর কিছুদিন পরেই আম গাছের মুকুল গুলো ডাঙর হবে। ছোট বেলায় আমের সময় ঝড় ছাড়লেই আম কুড়াতে চলে যেতাম। কোন কোন দিন ভর দুপুর বেলা আম গাছের নীচে শকুনের দৃষ্টি নিয়ে ঘুরাঘুরি করতাম যদি গাছ থেকে ঝরে পড়া পাকা আম পাওয়া যায়। একদিন দুপুরে গেছি, দেখি সত্যি সত্যি বড় একটা আম পড়ে আছে কিন্তু সমস্যা আমের কোল ঘেষে কোন মানব সন্তানের এক গাদা নেদি শোভা পাচ্ছে। কি করব সেই পিচ্ছি বয়সে এত বড় একটা আম ফেলে চলে আসব কিনা বুঝতে পারছিলাম না। মজার ব্যাপার হচ্ছে ঐ আম বাগানেই একটা কাঠাঁলচাপা গাছ ছিল যাতে মোটামুটি সারা বছর ফুল ফুটত আর পাশ দিয়ে গেলেই গন্ধে মৌ মৌ করত। ঐদিন, সেই বিশাল আম, কাঠাঁলচাপা, মানুষের মল আর আমার মনের আম নেওয়ার জন্য আকুতি(আনন্দও বলা যায়) সেই সাথে মল ঘেষা আম নেব এমন একটা ঘেন্না ভাব … একটা মিথষ্ক্রিয়ার মত ব্যাপার।

বিঃ দ্রঃ আমি আমটা নিয়েই বাড়িতে ফিরেছিলাম।

বিঃ দ্রঃ একজনের ফেসবুকের স্ট্যাটাসে কাঠাঁলচাপা নিয়ে লেখা পড়তে গিয়ে ছোট বেলার ঘটনা মনে আসল। যেহেতু আমি দুষ্টু প্রকৃতির লোক তাই আমার লেখার ভেতর দুর্গন্ধ থাকবেই। আমার চিন্তা ভাবনায়ও অনেক দূর্গন্ধ বের হয় মাঝে মাঝে। মানুষের মনতো ! মজার ব্যাপার কি জানেন, আমার বেশির ভাব লেখা, কাজ, আঁকার চিন্তা আসে আমি যখন টয়লেটে বসে থাকি। আমার চারপাশে চারটি দেওয়াল, ভেতর আমি একা উলঙ্গ ! মাথার ভেতর এই আইডিয়া ঐ আইডিয়া দৌড়াদৌড়ি করে। এখন যে বাসায় থাকি এইটাতে হাই কমোড নেই, আগের বাসাটাই ছিল, তখন টয়লেটে পারলে ঘন্টা দুই থেকে আসার চিন্তা করতাম একবার ঢুকলে। আমি নাদান মানুষ কিন্তু আমার ধারণা পৃথিবীর সব বড় বড় আইডিয়াগুলো এসেছে মলমুত্র আশেপাশে থেকেই।

বিঃ দ্রঃ একটা ব্যাপার কি ভেবে দেখেছেন যে লোকগুলো প্রতিদিন ময়লা টানে তারা কি কবিতা লেখা না, গান গায় না? আমি মনে করি অবশ্যই করে। আমার কথা অবিশ্বাস হলে একটু খোঁজ নিয়ে দেখেন। মিথ্যা প্রমানিত হলে আপনি আমার বাসায় একদিন পেট ভরে খেয়ে যাবেন, খুশি ?

Ref: From My Facebook Status

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *